📌 মোহাম্মদপুরের সেন্ট পল চার্চ থেকে চুরি হওয়া ৭০ কেজি পিতলের ঐতিহাসিক ঘণ্টা পুলিশের তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। চোররা ডাস্টবিনে ফেলে পালিয়ে গেলে পুলিশ ঘণ্টাটিকে অক্ষত অবস্থায় পেয়েছে। সিসিটিভি রেকর্ডিং বন্ধের পেছনের রহস্য তদন্তে রয়েছে পুলিশ।
মোহাম্মদপুরের ঐতিহাসিক সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি হওয়া বিশালাকার ৭০ কেজি পিতলের ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টা পুলিশের সফল তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) মোহাম্মদপুরের একটি ডাস্টবিনের পাশে পুলিশ ঘণ্টাটিকে সাদা পলি ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় অক্ষত অবস্থায় পেয়েছে। চোর চক্রের এই অপকর্মের পেছনে রহস্যময় সিসিটিভি রেকর্ডিং বন্ধের ঘটনা তদন্তে রয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭০ কেজি পিতলের ঐতিহাসিক ঘণ্টা মোহাম্মদপুরের সেন্ট পল চার্চ থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল গত ১ অক্টোবর মধ্যরাত ১২টা ৩ মিনিটের পর।
- 📌 চুরির ঘটনার পূর্বমুহূর্তে চার্চের সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ হয়ে যায় — এর পেছনের কারণ তদন্তে রয়েছে পুলিশ।
- 📌 পুলিশের সার্বিক তল্লাশি ও অভিযানের মুখে চোর চক্র মালামাল লুকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয় এবং ২ অক্টোবর ভোর ২টা ৫০ মিনিটে ঘণ্টাটি একটি ডাস্টবিনে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
- 📌 উদ্ধারকৃত ৭০ কেজি পিতলের ঘণ্টা বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানাধীন হেফাজতে রয়েছে।
- 📌 পুলিশ আশপাশের সড়কের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
📰 বিস্তারিত
সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দোতলার উন্মুক্ত জায়গায় রাখা ছিল এই ৭০ কেজি ওজনের ঐতিহাসিক পিতলের ঘণ্টা। গত ১ অক্টোবর মধ্যরাতের পর চোররা চার্চের ভেতরে প্রবেশ করে ঘণ্টাটি চুরি করে নিয়ে যায়। চুরির ঘটনা নজরে আসার পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মামলা রুজু করে। মোহাম্মদপুর থানাধীন পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামলে চোর চক্র মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক তল্লাশি চালায়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চুরির ঠিক আগমুহূর্তে চার্চের সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ হয়ে যায়। এই রহস্যময় ঘটনার পেছনে অভ্যন্তরীণ কারও সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে কিনা তা তদন্তের মধ্যে রয়েছে। পুলিশ আশপাশের সড়কের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
"৭০ কেজি ওজনের এই পিতলের ঘণ্টা ছিল চার্চের একটি মূল্যবান ঐতিহ্যবাহী সম্পদ। চোররা ঘণ্টাটিকে অক্ষত অবস্থায় ফেলে পালিয়ে গেছে, যা পুলিশের জন্য একটি সফল উদ্ধার।" — মোহাম্মদপুর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
"চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও অন্যান্য প্রমাণের উপর নির্ভর করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, আসাদ এভিনিউ, সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ কর্মকর্তা (অনামিক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ কেজি (পিতলের ঘণ্টা), ৯২ নং আসাদ এভিনিউ, ১ অক্টোবর (চুরির তারিখ), ২ অক্টোবর (উদ্ধারের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!