📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরে ভাঙচুরের পর টিকাদান কেন্দ্রে শিশু-মায়েদের ভোগান্তি: গেটে ত্রিপল টানিয়ে চলছে টিকা দেওয়া

মিরপুরে ভাঙচুরের পর টিকাদান কেন্দ্রে শিশু-মায়েদের ভোগান্তি: গেটে ত্রিপল টানিয়ে চলছে টিকা দেওয়া

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের পর সড়কের পাশে ত্রিপল টানিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়া চলছে। গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু ও মায়েরা। এ পর্যন্ত ১২০ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে

মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের এক দিন পর সড়কের পাশে ত্রিপল টানিয়ে চলছে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি। গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু ও তাদের মায়েরা। সেন্টারের গেটে ব্যানার টানিয়ে অস্থায়ীভাবে টেবিল-চেয়ার পেতে টিকাদান চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুর ১ নম্বর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের পর সড়কের পাশে ত্রিপল টানিয়ে টিকাদান চলছে
  • 📌 ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকাসহ নিয়মিত টিকা দেওয়া হচ্ছে
  • 📌 শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান চলবে
  • 📌 বেলা সাড়ে ১টা পর্যন্ত প্রায় ১২০ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে
  • 📌 গরমে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু ও মায়েরা, কান্নাকাটি করছে বাচ্চারা
  • 📌 সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বলেছেন, সরকারের নির্দেশে টিকাদান চালু করা হলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা আপাতত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না

📰 বিস্তারিত

মিরপুর ১ নম্বর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের পর সড়কের পাশে ত্রিপল টানিয়ে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে। সেন্টারের মূল ফটকের বাইরে অস্থায়ীভাবে টেবিল-চেয়ার পেতে শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকাসহ নিয়মিত টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।

সেন্টারের গেটে ব্যানার টানিয়ে টিকাদানের সামগ্রী নিয়ে বসেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। সেখানে বিভিন্ন বয়সী শিশুদের নিয়ে মায়েরা আসছেন এবং টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে এতে শিশু ও তাদের মায়েদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দেড় বছর বয়সী মেয়ে হালিমাকে টিকা দিতে নিয়ে আসা এক মা বলেছেন, ‘মেয়েকে টিকা দিতে নিয়ে এসেছি। বাসার কাছে হওয়ায় আগেও এখান থেকে টিকা দিয়েছি।’

ইসরাত নামের আরেক নারী বলেছেন, ‘আমার মেয়ের আগামী মাসে টিকা দেওয়ার তারিখ আছে। আগের টিকাটিও রাড্ডা থেকে দিয়েছি। তাই জানতে এসেছিলাম, আগামী মাসে এখান থেকে টিকা দেওয়া হবে কি না। তাঁরা জানিয়েছেন, টিকা দেওয়া হবে।’ তিন মাস বয়সী মেয়েকে নিয়ে টিকা দিতে আসা আরেক মা আয়েশা বেগম বলেছেন, ‘আগেরবার ঘরের ভেতরেই টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকায় বাচ্চার কষ্ট হচ্ছে। গরম লাগছে, কান্নাকাটি করছে।’

রাড্ডা সেন্টারের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকাসহ নিয়মিত টিকা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বেলা সাড়ে ১টা পর্যন্ত প্রায় ১২০ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বলেছেন, ‘সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আমরা হামের টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছি। সেন্টারের আশপাশের শিশুদের টিকা নিতে যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের সেবা চালু রাখার চেষ্টা করছি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের এখানে অনেক শিশু আসবে। সে জন্য ফাঁকা জায়গাতেই আমরা অস্থায়ীভাবে ব্যবস্থা করেছি। টিকাদান কার্যক্রম চলছে। তবে অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা আপাতত আগের মতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

"আমাদের এখানে অনেক শিশু আসবে। সে জন্য ফাঁকা জায়গাতেই আমরা অস্থায়ীভাবে ব্যবস্থা করেছি। টিকাদান কার্যক্রম চলছে। তবে অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা আপাতত আগের মতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর ১ নম্বর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. নাসরিন আখতার (নির্বাহী পরিচালক), আয়েশা বেগম, ইসরাত, হালিমা (শিশু)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖