📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিরপুরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভাঙচুর ও ধ্বংস: জিম্মি করে লুটপাট, ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া

মিরপুরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভাঙচুর ও ধ্বংস: জিম্মি করে লুটপাট, ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুর ১-এর একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মধ্যরাতে মুখোশধারী ২০০-২৫০ জন লোক জিম্মি করে লুটপাট ও ভাঙচুর চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বে এই আক্রমণে এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় দাবি, বিএনপির পক্ষ জায়গাটি দখল করার চেষ্টা করছে দীর্ঘদিন ধরে

মিরপুর ১-এর একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডের মতো ভাঙচুর ও ধ্বংসের ঘটনা ঘটেছে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ঢুকে প্রথমে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এরপর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুর ১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে মুখোশধারী ২০০-২৫০ জন লোক জিম্মি করে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায়।
  • 📌 দুই নিরাপত্তাকর্মী জিম্মি করে মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও নগদ টাকা লুট করা হয়।
  • 📌 পাকা ও আধা পাকা তিনটি ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়, স্থাপনার সীমানা ভেঙে ফেলা হয়।
  • 📌 ক্ষয়ক্ষতি এক কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করেছেন নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার।
  • 📌 বি.এন.পি নেতা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পক্ষের নেতৃত্বে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
  • 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও স্থাপনাটি রক্ষা করতে পারেনি।
  • 📌 ৫০ বছর ধরে স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছিল এই কেন্দ্র, যা ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

📰 বিস্তারিত

মিরপুর ১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে অগ্নিকান্ডের মতো ভাঙচুর ও ধ্বংসের ঘটনা ঘটে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে ঢুকে প্রথমে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে। এরপর মূল্যবান যন্ত্রপাতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে এই ভাঙচুর চালানো হয়েছে। স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে জায়গাটি দখল করার চেষ্টা করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি পক্ষ ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে তা দখল করে নিয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি এই পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, হামলা ও ভাঙচুরের সময় পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন তাঁরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও স্থাপনাটি রক্ষা করতে পারেনি। পুরো ভবনটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে শাহ আলী থানা-পুলিশ বলছে, মামলা হলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"রাত ১০টায় দোকান বন্ধ করে বাসায় যান তিনি। সকালে এসে দেখেন কিছুই নেই। অল্প খরচে গরিব মানুষেরা এখান থেকে টিকা দিতে পারত। অথচ এখন দেখে মনে হচ্ছে ধ্বংসস্তূপ। যারাই করুক, কাজটি ভালো করে নাই।"

৫০ বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সালে মিরপুরের সুবিধাবঞ্চিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাতৃ ও শিশুসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর সেবা, শিশুদের টিকাদান, শিশু স্বাস্থ্যসেবা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। মিরপুর ১০ এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কেন্দ্র হলেও মিরপুর ১, বাউনিয়াবাদ, উত্তরা, ভাসানটেক বস্তি ও পুরান ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটির সেবা কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর ১, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি (বিএনপি নেতা), ডা. নাসরিন আখতার (নির্বাহী পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০-২৫০ জন (হামলাকারী), ১০ কাঠা (জমির পরিমাণ), ৫০ বছর (প্রতিষ্ঠানের বয়স), ১ কোটি টাকা (ক্ষয়ক্ষতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖