📌 স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চীন নিজস্ব চেষ্টা ও শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বের শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। ঠাকুরগাঁওতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতার কথা তুলে ধরেন এবং শিশু উন্নয়নের সরকারি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চীন প্রতিদিনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিশ্বের শক্তিশালী দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি জানান, চীনের উন্নয়ন একটি উদাহরণ যা অন্যান্য দেশের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। শুক্রবার (১২ জুন) ঠাকুরগাঁও শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চীন নিজস্ব চেষ্টা ও শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বের শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে
- 📌 অনুষ্ঠানে ৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ বিতরণ করা হয়
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু উন্নয়নে বিশেষ আগ্রহী, ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল হক এবং জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কোনো জাতি একদিনে এমনভাবে উন্নত হতে পারে না। চীন নিজস্ব জনগণের কল্যাণে সর্বাধিক কাজ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করছে। বিশেষ করে রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চীনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
অনুষ্ঠানে শিশু উন্নয়নের সরকারি পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের উন্নয়নে অত্যন্ত আগ্রহী। ইতোমধ্যে শিশুদের লেখাপড়া ও ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা হলো উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। চীন এই দিক থেকে একটি আদর্শ উদাহরণ। বাংলাদেশও এই পথে অগ্রসর হচ্ছে।”
"কোনো জাতি কখনও এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না। নিজেদের ঐকান্তিক চেষ্টা এবং শিক্ষার মাধ্যমে চীন আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও শহর, শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমান, ইয়াও ওয়েন, রফিকুল হক, মির্জা ফয়সল আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী, ১২ জুন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!