📌 রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে হাফপ্যান্ট পরা অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধকে পুলিশ সদস্য ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষক পোশাককে 'অশালীন' বলে আখ্যা দিয়ে তাকে ট্রেনে উঠতে বাধা দিয়েছেন
রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে শরীরচর্চা শেষে হাফপ্যান্ট পরা অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধকে পুলিশ সদস্য ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। প্রশিক্ষককে 'অশালীন পোশাক' পরার অভিযোগে মেট্রোস্টেশনের পাঞ্চ মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে রাখা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধ (ম্যারাথন প্রশিক্ষক) হাফপ্যান্ট পরা অবস্থায় মেট্রোতে উঠতে গেলে পুলিশ সদস্য ৪০ মিনিট দাঁড়িয়ে রাখেন
- 📌 পুলিশ সদস্য প্রশিক্ষকের পোশাককে 'অশালীন' বলে আখ্যা দিয়ে তাকে ট্রেনে উঠতে বাধা দেন
- 📌 প্রশিক্ষক প্রশ্ন করেন: 'শালীনতা কোথায় লেখা আছে?' — কিন্তু পুলিশ সদস্য কোনো লিখিত নিয়ম দেখাননি
- 📌 ঘটনা ঘটে ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে
- 📌 প্রশিক্ষক ফেসবুক পোস্টে লিখেন: 'আমাদের মতো মানুষ এই দেশে থাকার যোগ্য না'
📰 বিস্তারিত
ম্যারাথন ও আল্ট্রাম্যারাথনের প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধ সকালে শরীরচর্চা শেষে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরা অবস্থায় মেট্রোরেলে উঠতে যান। ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে টিকিট পাঞ্চ করার সময় তাকে থামিয়ে দেন এক পুলিশ সদস্য। প্রশিক্ষককে শালীনতার সঙ্গে যাতায়াত করার কথা বলা হলেও তিনি প্রশ্ন করেন, 'কোনটা শালীনতা, কোনটা শালীনতা না, সেটি কোথায় লেখা আছে?'
পুলিশ সদস্য প্রশিক্ষকের পোশাককে 'অশালীন' বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, 'এটা শালীনতার পর্যায়ে পড়ে না'। এরপর প্রশিক্ষককে হাফপ্যান্ট না পরা অবস্থায় 'শালীন পোশাক' পরার কথা বলা হয়। এইভাবে প্রায় ৪০ মিনিট মেট্রোস্টেশনের পাঞ্চ মেশিনের সামনে প্রশিক্ষককে দাঁড়িয়ে রাখা হয়। পরে মেট্রোরেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে ট্রেনে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়।
সাজ্জাদ হোসেন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, 'আমাদের মতো মানুষ আসলে এই দেশে থাকার যোগ্য না। ব্যাপারটা এমন না, এমন ঘটনা আজ প্রথম, প্রতিনিয়ত এমন ঘটনা ঘটে। কিন্তু চামড়া মোটা বলে এড়িয়ে যাই।'
"কোনটা শালীনতা, কোনটা শালীনতা না, সেটি কোথায় লেখা আছে? দেখান আমাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফার্মগেট মেট্রোস্টেশন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধ (ম্যারাথন প্রশিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ মিনিট (দাঁড়িয়ে রাখা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!