📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গণমাধ্যমের আস্থা বৃদ্ধিতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার: বরিশালে আলোচনা

গণমাধ্যমের আস্থা বৃদ্ধিতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার: বরিশালে আলোচনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালে অনুষ্ঠিত একটি বিভাগীয় সভায় গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি উঠেছে। বক্তারা বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহিতা, পাঠক-দর্শকের অভিযোগ নিষ্পত্তি ও সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে

বরিশালে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত একটি বিভাগীয় মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সংবাদ প্রকাশে ভুল হলে তা স্বীকার ও সংশোধনের পাশাপাশি পাঠক-দর্শকের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি তুলেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার: গণমাধ্যমের পেশাগত মান ও সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে স্বনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি উঠেছে বরিশালে অনুষ্ঠিত সভায়।
  • 📌 আস্থা বৃদ্ধির জন্য জবাবদিহিতা: সংবাদ প্রকাশে ভুল হলে তা স্বীকার ও সংশোধন, পাঠক-দর্শকের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি এবং সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণমাধ্যমের আস্থা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
  • 📌 নীতিমালা ও কর্মপরিবেশ: প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব নীতিমালা, পেশাগত মানদণ্ড ও দৃশ্যমান জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশে পেশাগত নৈতিকতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • 📌 স্বনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব: গণমাধ্যমের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও কর্মীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা স্বনিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের পেশাগত ও নৈতিক মানোন্নয়ন এবং স্বনিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বরিশালে। এই সভাটি মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) কর্তৃক আয়োজিত হয়েছে। হাইকমিশন অব কানাডা ইন বাংলাদেশের অর্থায়নে কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভসের (সিএফএলআই) আওতায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সভায় সংবাদমাধ্যমের মালিক ও প্রকাশক, সম্পাদক, সংবাদবিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, সাংবাদিক সংগঠনের নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁরা গণমাধ্যমের জবাবদিহি, সম্পাদকীয় নীতিমালা, অভিযোগ নিষ্পত্তি, সাংবাদিকদের পেশাগত আচরণ ও কর্মপরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা শুধু দ্রুত সংবাদ প্রকাশের ওপর নির্ভর করে না। সংবাদ প্রকাশে ভুল হলে প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে তা স্বীকার ও সংশোধন করছে, পাঠকের অভিযোগ কীভাবে বিবেচনা করছে এবং কোন নীতিমালার ভিত্তিতে সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব নীতিমালা, পেশাগত মানদণ্ড ও দৃশ্যমান জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

এমআরডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় নিজস্ব জবাবদিহির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকের আস্থা যত দিন থাকবে, গণমাধ্যম তত দিন স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে। এই আস্থা ধরে রাখতে নিজেদের কাজের জন্য প্রতিষ্ঠানকে পাঠক-দর্শকের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ও যমুনা টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ বলেছেন, সরকার কী দিল বা দিল না, শুধু তা নিয়ে না ভেবে সংবাদমাধ্যমের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা জায়গায় মানসম্পন্ন কাজ নিশ্চিত করতে হবে।

চ্যানেল এসের নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক রেজোয়ানুল হক বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও কর্মীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা স্বনিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কোনো কর্মীকে ছাঁটাই করা হলে বা তিনি পদত্যাগ করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁর পাওনা পরিশোধের বিধান প্রতিষ্ঠানের নীতিমালায় থাকতে হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেছেন, পাঠক-দর্শকের অভিযোগ গ্রহণ ও পর্যালোচনার একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকা দরকার। অভিযোগ যথার্থ হলে সংশোধনী বা ব্যাখ্যা প্রকাশ করতে হবে। এতে গণমাধ্যমের জবাবদিহি আরও দৃশ্যমান হবে। সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ নিয়েও আলোচনা হয়। বক্তারা বলেছেন, পেশাগত নৈতিকতার সঙ্গে সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। সময়মতো বেতন, আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র, আইনানুগ সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশকে গণমাধ্যমের জবাবদিহি কাঠামোর অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

"গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় নিজস্ব জবাবদিহির ব্যবস্থা শক্তিশালী করা জরুরি। পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকের আস্থা যত দিন থাকবে, গণমাধ্যম তত দিন স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বরিশাল, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিবুর রহমান (এমআরডিআই নির্বাহী পরিচালক), ফাহিম আহমেদ (যমুনা টিভি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা), রেজোয়ানুল হক (চ্যানেল এস পরিচালক), বরিশালের সাংবাদিক ও শিক্ষকগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সভা সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖