📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পাহাড়ে দুর্গোৎসবের পর তরুণরা পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন। 'ইউথ অরিজিন ফাউন্ডেশন, ক্লিন হিলস গ্রিন ফিউচার' নামের সংগঠনটি উৎসবের বর্জ্য সংগ্রহ করে পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পাহাড়ে দুর্গোৎসবের পর পরিবেশ পরিচ্ছন্নতায় তরুণদের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। উৎসবের আনন্দের পর ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক, ফুলের মালা ও অন্যান্য অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়েছে 'ইউথ অরিজিন ফাউন্ডেশন, ক্লিন হিলস গ্রিন ফিউচার'। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ পাহাড়ি পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ অক্টোবর মাটিরাঙ্গার ব্যাঙ্গমারা, নতুনপাড়া, কালী মন্দির ও বলিটিলা এলাকায় তরুণরা উৎসব-পরবর্তী বর্জ্য পরিষ্কার করে পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করছেন
- 📌 ২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে গঠিত সংগঠনটি মাস্ক ও গ্লাভস পরে বর্জ্য সংগ্রহ করছে
- 📌 বিপ্লব ত্রিপুরা (প্রতিষ্ঠাতা) বলেছেন, "পাহাড়ের প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উৎসবের বর্জ্যের কারণে। আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ পাহাড় রেখে যেতে চাই"
- 📌 কর্ণজ্যোতি ত্রিপুরা, টুটুল ত্রিপুরা, বেবি মারমা সহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর তরুণরা পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
দুর্গোৎসবের পর পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে। খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পাহাড়ে 'ইউথ অরিজিন ফাউন্ডেশন, ক্লিন হিলস গ্রিন ফিউচার' নামের সংগঠনটি উৎসবের পর ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক, ফুলের মালা ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহের অভিযান চালিয়েছে। সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা মাস্ক ও গ্লাভস পরে দিনব্যাপী বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলছেন। অপচনশীল বর্জ্য নিরাপদ উপায়ে অপসারণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎসবের পর পড়ে থাকা বর্জ্য পাহাড়ি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। বৃষ্টির পানির সঙ্গে এসব বর্জ্য ঝিরিতে গিয়ে পড়লে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ব্যাহত হতে পারে। পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ সীমিত হওয়ায় স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সংগঠনটি ২০২৩ সালে সীমিত পরিসরে যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব ত্রিপুরা নেতৃত্বে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। উপদেষ্টা ভাসুরি ত্রিপুরা, সদস্য কর্ণজ্যোতি ত্রিপুরা এবং নির্বাহী সদস্য বেবি মারমা, টুটুল ত্রিপুরা, অনিতা ত্রিপুরা ও রতন মণি সহ প্রায় ২০ জন স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশ পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছেন।
"উৎসবের আনন্দ সবাই ভাগ করে নেয়, কিন্তু উৎসবের পর জমে থাকা বর্জ্য পাহাড়ের প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর। তাই আমরা তরুণরা এগিয়ে এসেছি। আমরা চাই পাহাড় পরিচ্ছন্ন থাকুক, আগামী প্রজন্ম একটি সবুজ পাহাড় পাক। সবাই সচেতন হলে এ কাজ আরও সহজ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাটিরাঙ্গা পাহাড়, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিপ্লব ত্রিপুরা (প্রতিষ্ঠাতা), কর্ণজ্যোতি ত্রিপুরা, টুটুল ত্রিপুরা, বেবি মারমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন স্বেচ্ছাসেবী, ২২ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!