📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১ নভেম্বর থেকে ফুটপাতের পিঠা-পুরি দোকান থেকে শুরু করে সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

১ নভেম্বর থেকে ফুটপাতের পিঠা-পুরি দোকান থেকে শুরু করে সব খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ফুটপাতের পিঠা-পুরি দোকানসহ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হবে। বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার জন্য লাইসেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে আইনি দণ্ডের শিকার হতে পারেন ব্যবসায়ী

১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ফুটপাতের পিঠা-পুরি দোকানসহ সব ধরনের খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) এই নতুন নিয়মের ঘোষণা দিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ নভেম্বর থেকে ফুটপাতের পিঠা-পুরি দোকানসহ ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হবে
  • 📌 ৪ শ্রেণির বিশেষায়িত খাদ্য (স্বাস্থ্য সহায়ক, প্রোবায়োটিক, নিউট্রাসিউটিক্যাল) ব্যবসার জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক
  • 📌 ১০০ বর্গমিটার পর্যন্ত ব্যবসায়ের লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গমিটার বেশি ব্যবসায়ের জন্য ৬০ হাজার টাকা
  • 📌 ৩ বছর মেয়াদে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে
  • 📌 নিবন্ধন ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে আইনি দণ্ডের শিকার হতে পারেন ব্যবসায়ী

📰 বিস্তারিত

গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। এই প্রবিধান অনুযায়ী, রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং কাঁচা ও তাজা খাবার ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারকদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। বিশেষভাবে, রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রি করা ব্যবসায়ীদেরও এই নিয়ম মানতে হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে যেমন বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সহায়ক পণ্যের জন্যও লাইসেন্স ও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রথমবার নিবন্ধন বিনা ফিতে করা যাবে, তবে বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার লাইসেন্স ফি প্রতিষ্ঠানের আয়তন ও শ্রেণির ওপর নির্ভর করবে।

বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন প্রাথমিকভাবে জেলা কার্যালয়ে করা যাবে। পরে ধাপে ধাপে পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা পণ্যের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং অভিযোগের ক্ষেত্রে নম্বরটি ব্যবহার করতে পারবেন।

"নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা, ৪ শ্রেণির বিশেষায়িত খাদ্য, ১০০ বর্গমিটার, ১০ হাজার টাকা, ৬০ হাজার টাকা, ৩ বছর মেয়াদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖