📌 অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এক মাসের পূর্ণ ক্ষমতা চেয়েছেন। তিনি কোনো বেতন বা সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন
অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রেলওয়ে খাতের টিকিট কালোবাজারি ও ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের সমস্যা সমাধানে এক মাসের পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা চেয়েছেন। তিনি কোনো পদবি, বেতন বা আলাদা সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই শুধুমাত্র যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি পাওয়ার বিনিময়ে এই দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি ঘোষণা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবসরপ্রাপ্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এক মাসের জন্য পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা চেয়েছেন রেল টিকিট কালোবাজারি বন্ধে।
- 📌 তিনি কোনো বেতন বা সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন এবং শুধুমাত্র যাতায়াতের জন্য একটি গাড়ি চেয়েছেন।
- 📌 ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে টিকিট কালোবাজারি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
- 📌 অভিযানের জন্য চুক্তিভিত্তিক সৎ অবসরপ্রাপ্ত টিকিট এক্সামিনারদের নিয়োগের বাজেট চেয়েছেন মাহবুব কবীর মিলন।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, প্রতিটি বগিতে দৈবচয়ন ভিত্তিতে পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র সংযুক্ত থাকবে।
- 📌 টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের জন্য ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’র প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
মাহবুব কবীর মিলন শুক্রবার (৯ অক্টোবর, ২০২৬) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লিখেছেন, ‘আমাকে ক্ষমতা দিন মাত্র এক মাসের জন্য। এই এক মাসে ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেখাব ইনশাআল্লাহ। পদ, পদবি, আলাদা চেয়ার-টেবিল কিছুই লাগবে না। বিনা পয়সায় সার্ভিস দেব। শুধু যাতায়াতের জন্য একটা গাড়ি দেবেন।’
কাজের শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, এই এক মাসে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সবাই তাঁর নির্দেশ মেনে চলতে হবে। তিনি অভিযানের জন্য চুক্তিভিত্তিক কিছু সৎ ও অবসরপ্রাপ্ত টিকিট এক্সামিনার নিয়োগের বাজেট চেয়েছেন। পাশাপাশি কিছু কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে যুক্ত করার কথা বলেছেন, যাঁদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্তরা কোনো সরকারি বেতন-ভাতা নেবেন না।
অভিযানের জন্য তিনি প্রাথমিক পর্যায়ে কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তিনি টিকিট যাচাইয়ের কৌশল হিসেবে জানিয়েছেন, সব যাত্রী ঢালাওভাবে পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই; বরং প্রতিটি বগিতে দৈবচয়ন ভিত্তিতে পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে। পরিচয় ও টিকিটে গরমিল পেলেই দ্বিগুণ জরিমানা করা হবে এবং ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ নীতি শতভাগ কার্যকর করা হবে।
স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তিনি টিকিট পরীক্ষক ও ট্রেনের গার্ডদের জন্য ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’র প্রস্তাব করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কোনো অনিয়মকারীর পক্ষে তদবির বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হলে তাদের পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
"আমাকে ক্ষমতা দিন মাত্র এক মাসের জন্য। এই এক মাসে ঢাকা-কক্সবাজার ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলের টিকিট কালোবাজারি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেখাব ইনশাআল্লাহ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব কবীর মিলন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ মাস, ৯ অক্টোবর, ০২:৫২ পিএম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!