📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহালয়া তিথিতে শিববাড়ী ও মধ্যপাড়া মন্দিরে দেবী দুর্গার পবিত্র আগমনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুস্পাঞ্জলী সংসদ ও রাধামাধব মন্দিরে শঙ্ক ও আগমনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে দেবীকে মর্ত্যধামে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভক্তরা দেবীকে ঘোটকে আগমন ও নৌকায় গমনের আশা প্রকাশ করেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় মহালয়া তিথিতে সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। শিববাড়ী ও মধ্যপাড়া মন্দিরে পবিত্র চন্ডীপাঠ ও দেবীদূর্গার আগমনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে দেবীকে মর্ত্যধামে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অনুষ্ঠানে শঙ্ক ও উলুধ্বনীতে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের শিববাড়ীতে পুস্পাঞ্জলী সংসদ পূজা মন্ডপে মহালয়া তিথির মাহেন্দ্রক্ষণে দেবীদূর্গার পবিত্র আগমনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 মধ্যপাড়া রাধামাধব মন্দিরে অনুষ্ঠানে সনাতনী শিল্প গোষ্ঠির শিল্পীদের পরিবেশনায় দূর্গা দেবীর আগমনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে দেবীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়
- 📌 এই বছর দেবী দুর্গা ঘোটকে আগমন এবং পাঁচ দিনের পূজা শেষে বিজয়া দশমীতে স্বামী গৃহে কৈলাশে চলে যাবেন
- 📌 ভক্তরা দেবীকে মা হিসেবে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রার্থনা করেন, দেশবাসী ও মাতৃভূমিকে শান্তিতে রাখার জন্য
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুরোহিত নন্দ কিশোর চক্রবর্তী বলেন, মহালয়া হলো পিতৃপক্ষ ও দেবীপক্ষের সন্ধিক্ষণ, দুর্গাপূজোর সূচনা
📰 বিস্তারিত
মহালয়া তিথির মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেবী দুর্গার পবিত্র আগমনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিববাড়ীতে পুস্পাঞ্জলী সংসদ পূজা মন্ডপে এবং মধ্যপাড়া রাধামাধব মন্দিরে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শঙ্ক ও আগমনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে দেবীকে মর্ত্যধামে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ভক্তরা লাল-সাদা রঙ্গের বর্ণিল শাড়ী ও পাঞ্জাবি পরে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
মধ্যপাড়া রাধামাধব মন্দিরে উপস্থিত অন্বেষা পাল বলেন, “মহালয়ার মধ্য দিয়ে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবী পক্ষের শুভ সূচনা হয়েছে। মর্ত্যধামে দেবী দূর্গার আগমন ঘটেছে। মায়ের আগমনী বার্তায় আমরা বেশ পুলকিত। মা যেন আমাদেরকে সকলকে ভাল রাখেন, দেশবাসীকে ভাল রাখেন, শান্তিতে রাখেন এই প্রার্থনা করছি।”
পুস্পাঞ্জলী সংসদের অনুষ্ঠানের আয়োজক নয়ন কর জানান, “মহালয়া তিথির মধ্য দিয়ে এই মর্ত্যধামে মায়ের আগমন ঘটেছে। আজকে আমরা চন্ডীপাঠ ও আগমনী গানের মাধ্যমে মাকে বরণ করেছি। আমরা মায়ের কাছে প্রার্থনা করব মা যেন সবাইকে ভাল রাখেন, সবাই যেন শান্তিতে থাকতে পারি।”
শিববাড়ী মন্দিরের পুরোহিত নন্দ কিশোর চক্রবর্তী বলেন, “মহালয়া হলো পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষের সন্ধিক্ষণ। এর মাধ্যমে দুর্গাপূজোর উৎসবের সূচনা হয়। দেবীদুর্গা এই দিন পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। এই তিথি দেবী দুর্গার জন্ম এবং অসুর রাজা মহিষাসুরের উপর তাঁর চূড়ান্ত বিজয়ের বর্ণনা দেয়। পিতৃপক্ষে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করে 'জলদান' বা তর্পণ করা হয় এবং পরলোকগত পূর্বপুরুষদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। এই অসহায় মানুষদের দান করলে পূর্ণ লাভ হয়।”
"মহালয়া হলো পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষের সন্ধিক্ষণ। এর মাধ্যমে দুর্গাপূজোর উৎসবের সূচনা হয়। দেবীদুর্গা এই দিন পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর (শিববাড়ী ও মধ্যপাড়া মন্দির)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নন্দ কিশোর চক্রবর্তী (পুরোহিত), অন্বেষা পাল, নয়ন কর, ভক্তরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ দিন (দেবী দুর্গার মর্ত্যধামে অবস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!