📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাগুরা পৌর পানি শোধনাগার অচল: ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের দুর্ভোগের গল্প

মাগুরা পৌর পানি শোধনাগার অচল: ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের দুর্ভোগের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরা পৌর পানি শোধনাগার ২০ মাস ধরে বন্ধ থাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের যন্ত্রপাতি ময়লায় ডুবে পড়েছে। পুরোনো পাইপ লাইনে নালার পানি মিশে বাসিন্দাদের দুর্গন্ধযুক্ত পানি পৌঁছে দিচ্ছে।

মাগুরা পৌরসভার নিরাপদ পানি সরবরাহের প্রধান উৎস হিসেবে নির্মিত ৯ কোটি টাকার পানি শোধনাগারটি সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে অচল হয়ে পড়েছে। ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধনের সক্ষমতা থাকা এই শোধনাগারটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে ভূগর্ভস্থ পানি সরাসরি সরবরাহ করা হচ্ছে, যার ফলে আয়রন ও আর্সেনিকসহ ক্ষতিকর উপাদানসমূহ মানুষের পানিতে মিশে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাগুরা পৌর পানি শোধনাগার ২০ মাস ধরে বন্ধ — ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চালু হলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অচল হয়ে পড়ে
  • 📌 ৯ কোটি টাকার প্রকল্পের যন্ত্রপাতি ময়লা, ঘাস-লতাপাতা ও বিকল অবস্থায় পড়ে আছে
  • 📌 পুরোনো ৩০ বছরের পানির লাইন থেকে নালার পানি মিশে বাসিন্দাদের ঘরে দুর্গন্ধযুক্ত পানি পৌঁছে দিচ্ছে
  • 📌 প্রতি মাসে ৪ হাজার ২০০ গ্রাহকের কাছ থেকে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা বিল আদায় করছে পৌর কর্তৃপক্ষ
  • 📌 ‘সেভেন টাউন ওয়াটার সাপ্লাই’ প্রকল্পে নতুন দুটি শোধনাগার নির্মাণ ও ২৫০ কিলোমিটার নতুন পাইপ লাইন স্থাপনের আশ্বাস দেওয়া হলেও বর্তমান অব্যবস্থাপনা অব্যাহত

📰 বিস্তারিত

মাগুরা পৌরসভার পানি শোধনাগারটি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে চালু হয়েছিল। ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি শোধনের সক্ষমতা থাকা এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল আয়রন, আর্সেনিকসহ ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহ করা। কিন্তু প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ, ফিল্টার পরিবর্তন ও দক্ষ জনবলের অভাবের কারণে শোধনাগারটি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অচল হয়ে পড়ে। বর্তমানে শোধনাগারটি ময়লার আস্তরণে ডুবে পড়েছে, ঘাস-লতাপাতা ও বিকল যন্ত্রপাতির মধ্যে পড়ে আছে।

পানি সরবরাহের আরেকটি বড় সমস্যা হলো পুরোনো পানির লাইন। মাগুরা শহরের পানির সরবরাহ লাইন অন্তত ৩০ বছরের পুরোনো। পাইপ লাইনে কোনো ক্ষতির সময় নালার নোংরা পানি লাইনে ঢুকে পড়ে। পরে পাম্প চালু হলে সেই ময়লা পানি বাসিন্দাদের ঘরে পৌঁছে যায়। ফলে সকালে প্রথম এক থেকে দেড় ঘণ্টা বাসিন্দারা দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পানি পান করতে বাধ্য হন। কোথাও অতিরিক্ত আয়রনে পানির লাইন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

পৌর কর্তৃপক্ষ প্রতি মাসে প্রায় ৪ হাজার ২০০ গ্রাহকের কাছ থেকে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা বিল আদায় করছেন। কিন্তু এই অর্থের ব্যবহার ও প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নের অভাবের কারণে বাসিন্দারা অনিরাপদ পানি পান করতে বাধ্য। পৌর কর্তৃপক্ষ ‘সেভেন টাউন ওয়াটার সাপ্লাই’ প্রকল্পের মাধ্যমে পুরোনো শোধনাগার সংস্কার, নতুন দুটি শোধনাগার নির্মাণ এবং ২৫০ কিলোমিটার নতুন পানির লাইন স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে বর্তমান অবস্থায় এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যন্ত বাসিন্দাদের অনিরাপদ পানি পান করতে হবে — যা গ্রহণযোগ্য নয়।

"প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যন্ত মানুষকে অনিরাপদ পানি পান করতে হবে — এটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। নতুন প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পুরোনো অব্যবস্থাপনার দায় এড়ানোর সুযোগও নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা পৌরসভা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাগুরা পৌরবাসী, পৌর কর্তৃপক্ষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কোটি টাকা (প্রকল্প খরচ), ২০ মাস (শোধনাগার বন্ধ), ৩৫০ ঘনমিটার (ঘণ্টায় শোধন ক্ষমতা), ৩০ বছর (পুরোনো পাইপ লাইন), ৪ হাজার ২০০ গ্রাহক, ১৩-১৪ লাখ টাকা (মাসিক বিল), ২৫০ কিলোমিটার (নতুন পাইপ লাইন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖