📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাগুরায় ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিলে ২৯ হাজার টাকা! গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন নানাভাবে হয়রানি

মাগুরায় ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিলে ২৯ হাজার টাকা! গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন নানাভাবে হয়রানি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাগুরা সদর উপজেলার গ্রামবাসী বাবু মোল্যা (৫৫) মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ২৯ হাজার টাকা দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা গ্রাহককে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দুঃখ প্রকাশ করেছেন

মাগুরা সদর উপজেলার সংকোচখালি গ্রামের বাবু মোল্যা (৫৫) মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল পেয়ে হতবাক হয়ে পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এই অস্বাভাবিক বিলের কারণে তিনি মারাত্মক মানসিক চাপের শিকার হয়ে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিলে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে মাগুরা সদর উপজেলার বাবু মোল্যার নামে
  • 📌 গ্রাহককে বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আগেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা নানাভাবে হয়রানি করেছেন
  • 📌 মাগুরায় আগে মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে ২৩৫ ইউনিট ব্যবহারের বিলে ৫০৬ কোটি টাকা নির্ধারণের ঘটনায় জিএম বরখাস্ত করা হয়েছিল
  • 📌 বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভুক্তভোগীকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন
  • 📌 চট্টগ্রাম ওয়াসা সেপ্টেম্বর মাসে ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে

📰 বিস্তারিত

মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালি গ্রামের বাবু মোল্যা (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে ছিল। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর হাতে পৌঁছানো বিলে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিক বিল দেখে তিনি চরম বিস্মিত হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী বাবু মোল্যা জানান, “দীর্ঘদিন ধরে আমার বিলের পরিমাণ ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। কিন্তু এবার এমন একটি বিল পেয়েছি যেখানে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল ২৯ হাজার টাকা। আমি হতবাক হয়ে গেছি।” তিনি আরও বলেন, “বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আগেই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা আমাকে নানাভাবে হয়রানি করেছেন।”

মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম ফজলুল আনোয়ার জানান, “বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা বিলটি খতিয়ে দেখছি। তবে গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি।”

এই ঘটনায় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ভুক্তভোগীকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই ধরনের ঘটনা গ্রাহকদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা বিষয়টি তদন্তের জন্য নিশ্চিত করবো এবং দ্রুত সমাধান নেবো।”

মন্তব্য করা যায়, মাগুরায় আগে মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার বিল আসার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারকে (জিএম) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী টুকু ভুক্তভোগীকে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।

"দীর্ঘদিন ধরে আমার বিলের পরিমাণ ছিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। কিন্তু এবার এমন একটি বিল পেয়েছি যেখানে মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল ২৯ হাজার টাকা। আমি হতবাক হয়ে গেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাগুরা সদর উপজেলা, সংকোচখালি গ্রাম, গোপালগ্রাম ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাবু মোল্যা (৫৫), এজিএম ফজলুল আনোয়ার, মো. আবুল কাসেম, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মোছা. আলেয়া খাতুন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ ইউনিট, ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা, ২০০-২৫০ টাকা, ২৩৫ ইউনিট, ৫০৬ কোটি টাকা, ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖