📌 হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রী হয়রানি ও লাগেজ অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পরিচিতি পেয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘ফাটাকেষ্ট’ উপাধি পাওয়ার পরেও তিনি এখনও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান। তবে সাম্প্রতিক অভিযোগ ও কর্মকর্তা-বিরোধী ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তার দৃঢ়তা কোথায় গেলো?
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রী হয়রানি ও লাগেজ অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিমানবন্দরের যাত্রীদের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘ফাটাকেষ্ট’ উপাধি পাওয়ার পরেও তিনি এখনও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরে যাত্রীদের অভিযোগ ও কর্মকর্তা-বিরোধী ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তার সেই দৃঢ়তা কোথায় গেলো?
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নওশাদ খান ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এখনও বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজে নিযুক্ত আছেন
- 📌 তার কঠোর পদক্ষেপের কারণে বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে বডি-ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়
- 📌 সাম্প্রতিক সময়ে মদিনা থেকে আসা বিমানবাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে লাগেজ পেতে দেরি ও জমজমের পানি সরবরাহের ঘটনায় বিমানবন্দরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়
- 📌 বিমানবন্দরে কর্মকর্তা-বিরোধী ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয় সরকারি কাজে বাধা ও নিরাপত্তাকর্মী লাঞ্ছিত করার অভিযোগে
- 📌 যাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানের ফিরে আসার দাবি জানাচ্ছেন, কেননা তার দৃঢ়তা ও পদক্ষেপের কারণে বিমানবন্দরে অনিয়ম কমতো
📰 বিস্তারিত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান যাত্রী হয়রানি ও লাগেজ অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিমানবন্দরের যাত্রীদের কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘ফাটাকেষ্ট’ উপাধি পাওয়ার পরেও তিনি এখনও বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন বলে নিজেই স্বীকার করেছেন। নওশাদ খান ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং কর্মীদের বডি-ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট জোনে সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং ক্যামেরার ফুটেজ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরে যাত্রীদের অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে। মদিনা থেকে আসা বিমানবাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহের ঘটনায় বিমানবন্দরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার পর বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানের পুরোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপের ভিডিও ও খবর সামনে আনছেন যাত্রীরা।
নওশাদ খানকে বিমানবন্দরে ফিরে পাওয়ার আবেদন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে পোস্ট ও কমেন্ট করেছেন। উম্মে ফাতেমা একজন লিখেছেন, ‘নওশাদ সাহেবকে দেখতে চাই। উনি ঠিক ছিল। আসলে ভালো মানুষের কদর নাই কিন্তু চোরের অনেক কদর আছে।’ অন্য একজন অন্তিকা বড়ুয়া লিখেছেন, ‘এই ভালো মানুষটাকে আবার বিমানবন্দরে যোগ দেওয়ানো হোক, এতে সরকারেরও সুনাম অর্জন হবে।’
"আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের করলাম। এসব খবর অনলাইনে দেখছি। আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি।" — ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (HSIA), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, উম্মে ফাতেমা, অন্তিকা বড়ুয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫ (দায়িত্ব গ্রহণের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!