📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বজ্রপাতের শিকার ৫১ জন যশোরে: প্রকল্পের নামে দায়সারা কাজ, ক্ষতিপূরণ পায় না পরিবার

বজ্রপাতের শিকার ৫১ জন যশোরে: প্রকল্পের নামে দায়সারা কাজ, ক্ষতিপূরণ পায় না পরিবার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরে বজ্রপাতে গত এক বছরে ৫১ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ২৮ জন কৃষক। সরকারি প্রকল্পের নামে বজ্রনিরোধক দণ্ড ও তালগাছ রোপণ ব্যর্থ হয়, পরিবার ক্ষতিপূরণ পায় না। দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে সরকার প্রচারণা চালাচ্ছে

যশোরে বজ্রপাতের শিকার হয়েছে ৫১ জনেরও বেশি মানুষ। গত এক বছরে এই জেলায় বজ্রপাতে মারা গেছেন ৫১ জন, যার মধ্যে ২৮ জন কৃষক। তবে সরকারি প্রকল্পের নামে বজ্রনিরোধক দণ্ড ও তালগাছ রোপণের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, ফলে পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ পায় না। বজ্রপাতের শিকারদের পরিবারগুলো এখনও সরকারি অনুদানের বিষয়ে অবগত নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত এক বছরে যশোরে বজ্রপাতে মারা গেছেন ৫১ জন, যার মধ্যে ২৮ জন কৃষক এবং ১৫ জন আহত
  • 📌 বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করেছেন আবু তাহের (৪৫), লুৎফর রহমান সরদার ও জনাব আলী (২২ সেপ্টেম্বর)
  • 📌 ২০২২ সালে ২২ লক্ষ টাকায় স্থাপিত তিনটি বজ্রনিরোধক দণ্ডের অবস্থা জানা নেই
  • 📌 ২০১৮ ও ২০২২ সালে রোপিত পাঁচ হাজার তালগাছের অস্তিত্ব নেই
  • 📌 বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির পরিবার সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পায়, কিন্তু হাফিজুর রহমানের পরিবার জানেন না
  • 📌 জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা বলেছেন, বজ্রপাতের সংখ্যা কমাতে প্রচারণা ও সচেতনতা বাড়ানো হবে

📰 বিস্তারিত

বজ্রপাত রোধের প্রকল্পের নামে যশোরে দায়সারা কাজ চলছে। বজ্রপাত রোধের প্রকল্প ১৬ এপ্রিল থেকে শুরু হলেও, বজ্রপাতের শিকার হয়েছে ৫১ জন। এর মধ্যে চৌগাছা উপজেলার আন্দুলিয়া মাঠে কাজ করছিলেন আবু তাহের (৪৫)। বজ্রপাতে তিনি সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। একই সময় মনিরামপুরের শাহাপুর গ্রামে বাড়ি থেকে মাঠে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে মারা যান লুৎফর রহমান সরদার। সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর কেশবপুর উপজেলার নতুন মূলগ্রামের বিলে মাছ ধরছিলেন জনাব আলী। বজ্রপাতে তিনি আহত হন এবং পরে মৃত ঘোষণা করা হয়।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, বজ্রপাতে মারা গেছেন ৫১ জন, যার মধ্যে ২৮ জন কৃষক। এছাড়া ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে বজ্রনিরোধক দণ্ডের অবস্থা জানা নেই। ২০২২ সালে ২২ লক্ষ টাকায় বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করা হলেও, এগুলো সচল আছে কি না তা জানা যায়নি। তালগাছ রোপণের প্রকল্পও ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৮ ও ২০২২ সালে পাঁচ হাজার তালগাছ রোপণ করা হলেও, এগুলো মেরে ফেলা বা গরু-ছাগল খেয়ে ফেলেছে বলে জানা গেছে।

বজ্রপাতে মৃত্যুবরণকারী হাফিজুর রহমানের স্ত্রী তহমিনা জানান, তাঁরা ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানেন না। বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির পরিবার সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা ও আহত ব্যক্তির পরিবার সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা হলেও, এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাননি পরিবারগুলো। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শেখ আবদুল কাদের বলেন, ‘বজ্রনিরোধক দণ্ডের অবস্থা জানা নেই এবং তালগাছের অস্তিত্ব নেই। স্থানীয়রা এগুলো মেরে ফেলেছে। আমরা বজ্রপাতের সংখ্যা কমাতে প্রচারণা ও সচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছি।’

"জেলায় অনেক আগে তিনটি বজ্রনিরোধক দণ্ড বসানো হলেও সেগুলো কেমন, কীভাবে আছে জানা নেই। আর তালগাছ রোপণ করা হলেও সেগুলোর অস্তিত্ব নেই। কেননা স্থানীয়রা মেরে ফেলে কিংবা গরু-ছাগলে খেয়ে ফেলে। আমরা এখন বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে মূলত প্রচারণা ও সচেতনতা বাড়ানোয় জোর দিচ্ছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর জেলা (চৌগাছা, মনিরামপুর, কেশবপুর উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু তাহের (৪৫), লুৎফর রহমান সরদার, জনাব আলী, হাফিজুর রহমান, তহমিনা, শেখ আবদুল কাদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ জন মৃত্যু, ২৮ জন কৃষক, ১৫ জন আহত, ২২ লক্ষ টাকা ব্যয়, ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ, ১০ হাজার টাকা আহত ক্ষতিপূরণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖