📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিরল রামবাসকের সন্ধান মিলল যেভাবে

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিরল রামবাসকের সন্ধান মিলল যেভাবে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সবুজ গভীরে বিরল রামবাসক উদ্ভিদের দেখা মিলেছে। প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টির বর্ণনা ও ভেষজ গুণাবলি তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ভ্রমণের সময় প্রকৃতির এক বিরল উপহারের সন্ধান মিলেছে। উদ্যানের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে কিছুটা অগ্রসর হতেই চোখে পড়ে রেললাইন ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ইতিহাসের স্মারক। এরপরই দৃষ্টিগোচর হয় লাল রঙের মনোহর গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ রামবাসক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিরল রামবাসক উদ্ভিদের দেখা মিলেছে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি
  • 📌 উদ্যানের প্রধান ফটকের কাছে অবস্থিত রেললাইনের পাশেই রয়েছে চলচ্চিত্র নির্মাণের ইতিহাসের স্মারক
  • 📌 রামবাসকের বৈজ্ঞানিক নাম Phlogacanthus thyrsiformis, উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত
  • 📌 উদ্ভিদটির ফুল দেখতে সিংহমুখের মতো হওয়ায় একে ‘সিংহাস্য’ নামেও ডাকা হয়
  • 📌 ভেষজ চিকিৎসায় রামবাসকের কার্যকারিতা রয়েছে ঠান্ডা-কাশি ও অ্যাজমা উপশমে

📰 বিস্তারিত

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সবুজ গভীরে হাঁটতে গিয়ে পর্যটকদের চোখে পড়ে প্রকৃতির এক বিরল উপহার। উদ্যানের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের পর সোজা পথ ধরে কিছুটা অগ্রসর হতেই চোখে পড়ে একটি নামফলক। সেখানে উল্লেখ রয়েছে, বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র ‘আমার আছে জল’-এর দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল এই স্থানেই। এরপর সামান্য এগিয়ে গেলেই দেখা মিলে রেললাইনের পাশে অবস্থিত আরেকটি স্মারক ফলক। সেখানে লেখা রয়েছে, ১৯৫৫ সালে বিখ্যাত হলিউড চলচ্চিত্র ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ’-এর শুটিং হয়েছিল এই স্থানেই।

এরপর উদ্যান কর্মকর্তার বাসভবনের সামনে দিয়ে ডান দিকে একটি আঁকাবাঁকা পথ চলে গেছে স্থানীয় খাসিয়াপল্লির দিকে। সেই পথের বাঁ পাশেই হঠাৎ চোখে পড়ে লাল রঙের মনোহর গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ রামবাসক। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বনাঞ্চলে এই উদ্ভিদের দেখা মেলে। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীরে হাঁটলে হঠাৎ চোখে পড়তে পারে রক্তিম আভার এই উদ্ভিদটি।

রামবাসকের বৈজ্ঞানিক নাম Phlogacanthus thyrsiformis। এটি Acanthaceae পরিবারের একটি বহুবর্ষজীবী শাখা-প্রশাখাযুক্ত গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। গাছটির উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অঞ্চলভেদে, যেমন ভারতের গাড়োয়াল অঞ্চলে এটি ৬ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর পাতাগুলো বিপরীতমুখী, বেশ বড় ও উপবৃত্তাকার, যা দৈর্ঘ্যে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।

এই উদ্ভিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো এর ফুল। ফুলগুলো দেখতে নলাকার ও লালচে রঙের, যা ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। পাঁচটি পাপড়ি একসঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নলাকার গঠন তৈরি করে, যার নিচের ঠোঁটটি তিন খণ্ডে এবং ওপরের ঠোঁটটি দুই খণ্ডে বিভক্ত। ফুলের গড়ন হাঁ-করা সিংহমুখের মতো হওয়ায় একে ‘সিংহাস্য’ নামেও ডাকা হয়। ইংরেজিতে একে ‘Curved-Flower Flame-Acanthus’ বলা হয়ে থাকে।

"বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বনাঞ্চলে এই উদ্ভিদের দেখা মেলে। বিশেষ করে আমাদের দেশের সিলেটের বনাঞ্চল, যেমন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সবুজ গভীরে হাঁটলে হঠাৎ চোঁখে পড়তে পারে রক্তিম আভার এই মনোহর গুল্মটি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পর্যটক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উচ্চতা ৩ থেকে ৪ মিটার, পাতার দৈর্ঘ্য ২০ সেন্টিমিটার, ফুলের দৈর্ঘ্য ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖