📌 কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজার গাড়িতে পূর্বপরিকল্পিত হামলার ঘটনায় জামায়াত ইসলামী প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতারের আলটিমেটাম দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একাধিক এমপি ও জেলা জামায়াত নেতারা
কুষ্টিয়া জেলার মোল্লাতেঘরিয়ায় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িতে পূর্বপরিকল্পিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন জামায়াত ইসলামী। একই সঙ্গে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের দাবিও জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুফতি আমির হামজার গাড়িতে পূর্বপরিকল্পিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে জামায়াত ইসলামী
- 📌 হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে
- 📌 স্থানীয় প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-২ ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের এমপি সহ জেলা জামায়াত নেতারা
- 📌 হামলার ঘটনায় প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুফতি আমির হামজা
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুর ১২টার দিকে কুষ্টিয়ার মোল্লাতেঘরিয়ার জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুফতি আমির হামজা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবজাল হোসেন এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক।
সংবাদ সম্মেলনে মুফতি আমির হামজা বলেন, আমার গাড়ির সামনে-পেছনে পুলিশের দুটি গাড়িতে ১৫ থেকে ১৬ জন সদস্য ছিল। তারপরও একজন সংসদ সদস্যের ওপর হামলা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ জনগণের অবস্থা কোথায়? তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন আগে আমার মেয়ের গলার চেইন ছিনতাই হয়েছে। এমপি ও এমপির মেয়ে নিরাপদ না হলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কেমন হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
তিনি সর্বস্তরের জনগণকে ধৈর্য ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রশাসন দ্রুত হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে কুষ্টিয়ার জনগণ রাজপথে কঠোর প্রতিবাদ জানাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক বলেন, হামলাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। গণঅধিকার পরিষদের নির্দিষ্ট নেতাকর্মীরা এ হামলায় অংশ নিয়েছে বলে ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গেছে। তিনি দাবি করেন, শান্ত কুষ্টিয়াকে অশান্ত করতে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
"গণঅধিকার পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা আমার গাড়িবহরে এক বর্বর ও অতর্কিত হামলা চালায়। এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, পূর্বপরিকল্পিত হামলা। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি; কিন্তু যারা রাজনীতির নামে সন্ত্রাস চালায়, তারা সমাজের শত্রু।"
হামলার ঘটনায় তিন দফা দাবি তুলে ধরেন মুফতি আমির হামজা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে মূল পরিকল্পনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা।
উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে এমপি আমির হামজার গাড়িতে গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে কয়েকশ মানুষ হামলা চালায়। এ ঘটনার জের ধরে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোল্লাতেঘরিয়া, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফতি আমির হামজা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ১৫ জন নেতাকর্মী, ১৬ জন পুলিশ সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!