📌 কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ রোববার তাঁকে অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও এক কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় তাঁর আবাসিক কক্ষে ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। এ ঘটনার প্রতিবাদে পৌর কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ফলে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রাম পৌরসভার সিইও মো. ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে মারধরের অভিযোগ
- 📌 জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের
- 📌 কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে
- 📌 জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ সিইওকে রোববার অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী আনারুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে আজ বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় তাঁর আবাসিক কক্ষে। অভিযোগ অনুযায়ী, সিইও ফজলে রাব্বী ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদকে বিল-ভাউচার ও নথিপত্র নিয়ে তাঁর বাংলোয় তলব করেন। উপস্থিত হলে রাজ্জাককে গালিগালাজ ও শার্টের কলার ধরে মেঝেতে ফেলে দেন তিনি। পরে ফাইল ছুড়ে মারেন। এর কিছুক্ষণ পর পরিচ্ছন্নতাকর্মী আনারুল ইসলাম নাশতা নিয়ে গেলে তাঁকেও গালিগালাজ ও চড়-থাপ্পড় মারেন সিইও।
ঘটনার পর দুপুরে ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক রশিদ ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী আনারুল ইসলাম ঘটনাটি কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের জানান। পরে জরুরি সভা ডেকে তাঁরা কর্মবিরতির ঘোষণা দেন এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে পৌরসভায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। ফলে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা থেকে বঞ্চিত হন।
ভুক্তভোগী আব্দুর রাজ্জাক রশিদ বলেন, ‘সিইও আজ আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেছেন, তা মেনে নেওয়ার মতো নয়। ঠুনকো অজুহাতে আমাদের পিটিয়েছেন। একজন কর্মকর্তা কখনোই অধীনস্থ কর্মচারীর গায়ে হাত তুলতে পারেন না। আমরা তাঁর সঠিক বিচার ও অপসারণ চাই।’
‘চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে সিইও দুজনকে পিটিয়েছেন। এর আগেও একাধিক কর্মচারীর গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আজকের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। অবিলম্বে তাঁর অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।’
পৌর কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাফিজুর রহমান বুলু বলেন, ‘এমন কর্মকর্তাকে কুড়িগ্রামে বহাল রাখার সুযোগ নেই।’ জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, ‘সিইওর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে অপসারণের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছি। রোববারের মধ্যে তাঁকে অপসারণ করা হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম পৌরসভা, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফজলে রাব্বী (সিইও), অন্নপূর্ণা দেবনাথ (জেলা প্রশাসক), আব্দুর রাজ্জাক রশিদ (ভারপ্রাপ্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা), আনারুল ইসলাম (পরিচ্ছন্নতাকর্মী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!