📌 কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে একটি হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এনামুল হক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে একটি হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানকালে এনামুল হক ওরফে অন্তর নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযানে হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে ৫৫টি ভারতীয় চোরাই মুঠোফোন উদ্ধার
- 📌 এ ঘটনায় এনামুল হক (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ
- 📌 উদ্ধার হওয়া ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোর বিভিন্ন মডেল রয়েছে
- 📌 ভারতীয় পণ্য চোরাচালান ও অবৈধ ব্যবসা করার অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন
📰 বিস্তারিত
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানটি গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলে। ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম, আল-আমিন ও আসাদুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দল এবং বিজিবির ধলডাঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মো. মতিউর রহমানের নেতৃত্বাধীন বিজিবি দল অভিযানে অংশ নেয়। অভিযানের সময় এনামুল হকের বাড়ির হাঁস-মুরগির খোঁয়াড় থেকে তল্লাশি চালিয়ে ৫৫টি ব্যবহৃত ভারতীয় মুঠোফোন পাওয়া যায়।
উদ্ধার হওয়া ফোনগুলোর মধ্যে আইফোন, মটোরোলা, অপো, রেডমি, রিয়েলমি ও ভিভোর বিভিন্ন মডেল রয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন। তিনি বলেন, আসাদমোড় এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে মুঠোফোন চোরাকারবারিদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির সহযোগিতায় পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালিয়ে এসব মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।
"তিলাই ইউনিয়নের আসাদমোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চোরাই মুঠোফোন কেনাবেচা হয়ে আসছিল। দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে রংপুর ও ঢাকা থেকে ব্যবসায়ীরা সেখানে এসে এসব ফোন কিনে নিয়ে যেতেন। সীমান্তের ওপারে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মুঠোফোন একটি চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হতো।"
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, ভারতীয় পণ্য চোরাচালান ও অবৈধ ব্যবসা করার অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলা নথিভুক্ত করে আটক ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। উদ্ধার করা মুঠোফোনগুলো আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিলাই ইউনিয়ন, ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এনামুল হক (২৬), আজিম উদ্দিন (ওসি), মুনতাসির মামুন (সহকারী পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫টি মুঠোফোন, ২৬ বছর বয়সী ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!