📌 কটিয়াদীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকির হাটে পূজারিদের পছন্দ অনুযায়ী বাদ্য শুনে ঢাকির দল বাছাই করা হয়। এই বছর বায়নার সংখ্যা কমে ৮১টি হয়েছে, যেখানে এক যুগ আগে ছিল ৫০০টিরও বেশি। প্রযুক্তির প্রভাবে ঐতিহ্যবাহী এই হাটের জৌলুশ কমছে।
কটিয়াদীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকির হাটে পূজারিদের পছন্দ অনুযায়ী বাদ্য শুনে ঢাকির দল বাছাই করা হয়। এই বছর বায়নার সংখ্যা কমে ৮১টি হয়েছে, যেখানে এক যুগ আগে ছিল ৫০০টিরও বেশি। ঢাকিরা বাদ্য বাজিয়ে পূজারিদের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন, কিন্তু প্রযুক্তির প্রভাবে ঐতিহ্যবাহী এই হাটের জৌলুশ কমছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের করগাঁও গ্রামের নিশিকান্ত মণি দাসের ঢাকির দল বায়না পেলে ৮০ হাজার টাকা, কিন্তু তিনি ১ লাখ টাকা না পেলে পোষাবে না বলে জানান।
- 📌 কটিয়াদীর ঢাকির হাটের ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরানো, কিন্তু বায়নার ধরন বদলেছে। এখন মুঠোফোনে কথা বলা ও বিকাশে টাকা পাঠিয়ে বায়না করা হয়।
- 📌 এই বছর বুধবার থেকে শুরু হওয়া হাটে বায়না হয়েছে ৮১টি দলের, যেখানে এক যুগ আগে ছিল ৫০০টিরও বেশি।
- 📌 পূজারিরা আসেন কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ ও সিলেট থেকে, আর ঢাকিরা আসেন নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও হবিগঞ্জ থেকে।
- 📌 কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন জানান, হাটের সুবিধা বাড়াতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে শৌচাগার নির্মাণের জন্য।
📰 বিস্তারিত
কটিয়াদীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকির হাটে পূজারিদের পছন্দ অনুযায়ী বাদ্য শুনে ঢাকির দল বাছাই করা হয়। এই বছর বায়নার সংখ্যা কমে ৮১টি হয়েছে, যেখানে এক যুগ আগে ছিল ৫০০টিরও বেশি। ঢাকিরা বাদ্য বাজিয়ে পূজারিদের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন, কিন্তু প্রযুক্তির প্রভাবে ঐতিহ্যবাহী এই হাটের জৌলুশ কমছে।
গাজীপুরের করগাঁও গ্রামের নিশিকান্ত মণি দাসের ঢাকির দল বায়না পেলে ৮০ হাজার টাকা, কিন্তু তিনি ১ লাখ টাকা না পেলে পোষাবে না বলে জানান। তিনি বলেন, ‘মায়ার টানে, মায়ার টানে আসি এই হাটে।’ এই মায়ার নাম কটিয়াদীর ঢাকের হাট। দুর্গাপূজার নানা আনুষ্ঠানিকতায় ঢাকের বাদ্য অপরিহার্য। সেই বাদ্যের দল বাছাই করতে প্রতিবছর এখানে জড়ো হন ঢাকি ও পূজারিরা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে হাটে ঢোকার আগেই কানে আসে ঢাকের শব্দ। দল বেঁধে বাদ্য বাজিয়ে পূজারিদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন ঢাকিরা। পূজারিরা বাজনার দক্ষতা, দলের সদস্যসংখ্যা ও পরিবেশনা দেখে দরদাম করেন। পছন্দ হলে চুক্তিবদ্ধ হন। এরপর ষষ্ঠী থেকে বিসর্জন পর্যন্ত মণ্ডপে বাদ্য বাজানোর দায়িত্ব নেন ঢাকিরা।
হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সূত্র জানায়, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও হবিগঞ্জ থেকে বেশি ঢাকের দল আসে; আর পূজারিরা আসেন কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ ও বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল থেকে। এই বছর প্রথম দিন বুধবার ১১টি দলের বায়না হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বায়না হয়েছে ৮১টি দলের। সব মিলিয়ে এবার বায়নার সংখ্যা দুই শতাধিক হবে না বলে ধারণা করছেন আয়োজকেরা।
"হাটে এসে দেখেশুনে ঢাকির দল পছন্দ করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। হাটে এলে মনে হয়, পূজা শুরু হয়ে গেছে। না এলে পূজার অনুভূতিটা পাওয়া যায় না।"
— পূজারি পঞ্চু চন্দ্র সূত্রধর, কুলিয়ারচরের জগতচর মনোহরপুর গ্রাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ; রাধানাথ রায়বাড়ি মন্দিরের মাঠ, পশ্চিম বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিশিকান্ত মণি দাস, পূজারি পঞ্চু চন্দ্র সূত্রধর, মো. জালাল উদ্দীন, রতন সাহা, দিলীপ ঘোষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ মিনিট, ৯৬ হাজার টাকা, ৮০ হাজার টাকা, ১১টি দল, ৮১টি দল, ৭৫ হাজার টাকা, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!