📌 কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ ঝিনুক আকৃতির আধুনিক টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়। এই টার্মিনাল দিয়ে একসাথে ৫০০ যাত্রী দেশের বাইরে ও ৫০০ জন আসতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে উদ্বোধন করবেন
বঙ্গোপসাগরের নীল জলে ঘেরা কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ সোমবার উদ্ভাবনী ঝিনুক আকৃতির টার্মিনালের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। এই আকর্ষণীয় নকশার টার্মিনাল দিয়ে একসাথে ৫০০ যাত্রী দেশের বাইরে এবং ৫০০ জন বিদেশ থেকে আসতে পারবেন। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই টার্মিনালের নির্মাণে ২৬৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার বিমানবন্দরে আজ ঝিনুক আকৃতির টার্মিনালের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়
- 📌 এই টার্মিনাল দিয়ে একসাথে ৫০০ যাত্রী দেশের বাইরে ও ৫০০ জন আসতে পারবেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন
- 📌 রানওয়ের দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ৭০০ ফুট, যার মধ্যে ১ হাজার ৭০০ ফুট সাগরবক্ষের ওপর নির্মিত
- 📌 আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হলে কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক ট্রানজিট ও ফুয়েলিং হাব
- 📌 ৫০টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ৪টি বিমান সংস্থা (বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা, এয়ারস্ট্রা, নভোএয়ার) অংশ নেয়
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. ইউনুস ভূঁইয়া জানান, আজ থেকে নতুন টার্মিনালের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, “আগামী অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। এখন তার প্রস্তুতি চলছে।”
বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত এই বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ১০ হাজার ৭০০ ফুট, যার মধ্যে ১ হাজার ৭০০ ফুট সাগরবক্ষের ওপর নির্মিত। অক্টোবর থেকে সমুদ্রের জল ছুঁয়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বিমানের উড্ডয়ন-অবতরণ শুরু হলে পর্যটন খাতের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝিনুক টার্মিনাল চালু করার মধ্য দিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ওঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেছে। আগামী অক্টোবর মাসের শেষ দিকে এই বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পর কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মর্যাদা লাভ করবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক মো. গোলাম মোর্তজা হোসেন বলেন, “আজ সকাল সাতটা থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঝিনুক টার্মিনালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চারটি বিমান পরিবহনের ৫০টি ফ্লাইট ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আসা-যাওয়া করেছে। গতকাল ছিল ৫৪টি ফ্লাইট। প্রাথমিকভাবে সেবা দেওয়া হচ্ছে অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীদের।”
"মেঘ আর সমুদ্রের মিতালিতে ঘেরা এই রানওয়েতে যখন বিমান অবতরণ করছিল, তখন মনে হলো বিমানটি সমুদ্রের বুকেই নামছে। দূর থেকে তিনতলা ভবনের টার্মিনালটি ঝিনুকের মতো দেখা যায়। প্রকৌশলবিদ্যা আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সংমিশ্রণে তৈরি এই টার্মিনাল কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার বিমানবন্দর, বঙ্গোপসাগর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. ইউনুস ভূঁইয়া, মো. গোলাম মোর্তজা হোসেন, তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ যাত্রী (একসাথে), ২৬৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা (নির্মাণ খরচ), ১০ হাজার ৭০০ ফুট (রানওয়ে দৈর্ঘ্য), ৫০টি ফ্লাইট (পরীক্ষামূলক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!