📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ১০ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পের নকল পণ্য ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পোস্ট অফিসের সরাসরি মূল্যে কিনে কম দামে বিক্রি করছেন। সরকারের রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ১০ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পের নকল পণ্য ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পোস্ট অফিসের মূল্য থেকে কম দামে স্ট্যাম্প সংগ্রহ করে নির্ধারিত মূল্যে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছেন। এই নকল স্ট্যাম্পের কারণে সরকারের রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভৈরব উপজেলায় ১০ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পের নকল পণ্য ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ
- 📌 স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পোস্ট অফিসের সরাসরি মূল্য থেকে কম দামে স্ট্যাম্প সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন
- 📌 দুলাল মিয়া পোস্ট অফিসের মাধ্যমে স্ট্যাম্প সরবরাহ করছেন বলে দাবি, কিন্তু কোনো ক্রয় রসিদ বা মেমো প্রদান করেন না
- 📌 ভৈরব পোস্ট মাস্টার আনোয়ার হোসেন নকল স্ট্যাম্পের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু গণমাধ্যমের কাছে দেখানো স্ট্যাম্পটি আসল বলে মনে হয়নি
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা আলাল উদ্দিন বলেছেন, নকল স্ট্যাম্পের কারণে সরকার রাজস্ব হারাতে পারে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হতে পারেন
- 📌 ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ বলেছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং জালিয়াতি রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ১০ টাকার রাজস্ব স্ট্যাম্পের নকল পণ্য ৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন কম্পিউটার ও স্টেশনারি দোকানে এসব স্ট্যাম্প বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ১০ টাকার স্ট্যাম্প দোকানিদের কাছে ৭ টাকা দরে সরবরাহ করা হচ্ছে। কম দামে স্ট্যাম্প কিনে নির্ধারিত ১০ টাকা মূল্যে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
দুলাল মিয়ার ফটোস্টেট দোকান থেকে স্ট্যাম্প সংগ্রহ করে ব্যবসায়ীরা ১০ টাকার স্ট্যাম্প ৭ টাকা করে কিনে ১০ টাকায় গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছেন। দুলাল মিয়া বলেছেন, তিনি পোস্ট অফিস থেকে স্ট্যাম্প আনেন এবং কোনো মেমো বা ক্রয় রসিদ প্রদান করেন না। তবে তিনি নিশ্চিত নন যে, তার কাছে থাকা স্ট্যাম্পগুলো আসল নাকি নকল।
ভৈরব পোস্ট মাস্টার আনোয়ার হোসেন নকল স্ট্যাম্পের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, পোস্ট অফিস থেকে স্ট্যাম্প বিক্রি হয় স্লিপ বা মেমোর মাধ্যমে এবং নকল স্ট্যাম্প সরবরাহের সুযোগ নেই। তবে গণমাধ্যমের কাছে দেখানো স্ট্যাম্পটি দেখে তিনি মনে করেন, সেটি আসল নাও হতে পারে।
"কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে পোস্ট অফিস থেকে নকল স্ট্যাম্প সরবরাহ করা হয়েছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
স্থানীয় বাসিন্দা আলাল উদ্দিন বলেছেন, জরুরি প্রয়োজনে মানুষ বিভিন্ন দোকান থেকে রাজস্ব স্ট্যাম্প কেনেন। কিন্তু এসব স্ট্যাম্প নকল হতে পারে, বিষয়টি সাধারণ মানুষের ধারণার মধ্যেই থাকে না। তিনি আরও বলেছেন, নকল স্ট্যাম্পের কারণে সরকার রাজস্ব হারাতে পারে এবং সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভৈরব উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুলাল মিয়া, ভৈরব পোস্ট মাস্টার আনোয়ার হোসেন, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ, আলাল উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ টাকা (স্ট্যাম্পের মূল্য), ৭ টাকা (বিক্রয় মূল্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!