📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জের মেঘনা সেতু নির্মাণে ১৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প স্থবির, ঠিকাদার উধাও হয়ে গেছেন

কিশোরগঞ্জের মেঘনা সেতু নির্মাণে ১৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প স্থবির, ঠিকাদার উধাও হয়ে গেছেন

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে নির্মাণাধীন বাংগালপাড়া-চাতলপাড় সেতুর কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ। ১৭৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের কর্ণধার মানিক মিয়া আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় সেতুর মাত্র কয়েকটি পিলার অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে

কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) থেকে জানা গেছে, অষ্টগ্রাম উপজেলার বাংগালপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের দুর্গাপুর পর্যন্ত মেঘনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন বাংগালপাড়া-চাতলপাড় সেতুর কাজ দীর্ঘদিন ধরে পুরোপুরি স্থবির হয়ে রয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে সরকারি ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭৮ কোটি টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নির্মাণাধীন সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় এক কিলোমিটার
  • 📌 প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭৮ কোটি টাকা
  • 📌 ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের কর্ণধার মানিক মিয়া আত্মগোপনে চলে যান
  • 📌 সেতুর মাত্র কয়েকটি অসম্পূর্ণ পিলার রয়ে গেছে
  • 📌 স্থানীয়দের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে

📰 বিস্তারিত

অষ্টগ্রাম উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের দুর্গাপুর পর্যন্ত বিস্তৃত মেঘনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন বাংগালপাড়া-চাতলপাড় সেতুটি হাওরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনের স্বপ্ন ছিল। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর এই প্রকল্পের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন। প্রকল্প শুরুর দিকে স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক দ্রুত কাজ সম্পাদনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

তবে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণদার মানিক মিয়া আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় সেতুর নির্মাণকাজ পুরোপুরি থেমে যায়। একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সব যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী গুটিয়ে নিয়ে গোপনে সাইট ত্যাগ করতে শুরু করে। ফলে বর্তমানে নদীর বুকে সেতুর মাত্র কয়েকটি অসম্পূর্ণ পিলার দাঁড়িয়ে রয়েছে, যা স্থানীয়দের স্বপ্নভঙ্গের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও সঙ্কটাপন্ন রোগীরা বছরের পর বছর ধরে এই সেতুর জন্য অপেক্ষা করছেন। বর্ষায় উত্তাল মেঘনা নদী পারাপারে ট্রলার বা নৌকাই একমাত্র ভরসা, আর শুষ্ক মৌসুমেও খেয়া পারাপারে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চুক্তি ভঙ্গ করে কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে গেছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

"এই সেতুটি শুধু দুটি জেলার সংযোগ নয়, এটি পুরো হাওরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। সেতুটি চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ ও চাতলপাড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক মিয়া (ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার), রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (সাবেক সংসদ সদস্য), মোজাম্মেল হক (অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭৮ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖