📌 খুলনার কয়রা উপজেলায় সুন্দরবন উপকূলে নির্মিত হওয়া ওয়াচ টাওয়ার প্রকল্প ৫ বছরে অসম্পন্ন রয়েছে। অর্থ ছাড়ের অভাবে ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন দ্রুত অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করে প্রকল্প সম্পন্ন করা দরকার
খুলনার কয়রা উপজেলায় সুন্দরবন উপকূলে নির্মিত হওয়া কেওড়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ার প্রকল্প ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে অসম্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। অর্থ ছাড়ের জটিলতায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রেখেছে, যা পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে অসম্পন্ন** কেওড়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ার প্রকল্পে অর্থ ছাড়ের অভাবে ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন।
- 📌 **প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা**, কিন্তু অর্থ ছাড় না হওয়ায় নির্মাণকাজ থমকে আছে।
- 📌 **২০২৪ সালের ২২ আগস্ট** ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে কাজ শেষ হয়নি।
- 📌 **৬ নং কয়রা গ্রামের শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধের পাশে ২০ একর জমিতে** নির্মাণকাজের সাইট রয়েছে, যেখানে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মিশে গেছে।
- 📌 **সৈয়দ জিয়াউল হক** নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বলেছেন, প্রায় ৪৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, কিন্তু অর্থ ছাড় না হওয়ায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।
- 📌 **কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ-আল বাকী** বলেছেন, অর্থ ছাড়ের ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
খুলনার কয়রা উপজেলায় সুন্দরবন উপকূলে অবস্থিত কেওড়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ার প্রকল্প ২০২১ সালের ১১ অক্টোবর ট্যুরিজম বোর্ডের অনুমোদন পেয়েছিল। তবে বনবিভাগের আপত্তি এবং অর্থের জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। পরবর্তীতে কেওড়াকাটায় নির্মাণকাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ৫ বছর পার হয়ে গেলেও কাজ শেষ হয়নি।
প্রকল্পের সাইটে ২০ একর জমিতে নির্মাণকাজের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এখানে গোলপাতা থেকে শুরু করে ম্যানগ্রোভ বনের প্রায় সব প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওয়াচ টাওয়ারের ১ম তলার চারটি পিলার ও সিঁড়ির একটি মাত্র ধাপ নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল দর্শনার্থীদের সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ তৈরি করা।
কয়রা উন্নায়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি বিদেশ রঞ্জন মৃধা বলেন, অর্থ ছাড় না হওয়ায় ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছেন। তিনি দাবি করেছেন, দ্রুত অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করে প্রকল্পটি দ্রুত সম্পন্ন করা দরকার। স্থানীয় বাসিন্দা ফরহাদ হোসেনও বলেছেন, পর্যটন সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও অবকাঠামোর অভাবে কেওড়াকাটা বিকশিত হয়নি।
"পর্যটন কেন্দ্র নির্মানে প্রায় ৪৯ লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অর্থ ছাড়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই মূহুর্তে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থ ছাড় হলে পুনরায় কাজ শুরু করবো।"
কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল্লাহ-আল বাকী বলেছেন, অর্থ ছাড়ের ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার কয়রা উপজেলা, কেওড়াকাটা, শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধের পাশে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ জিয়াউল হক (ঠিকাদার), বিদেশ রঞ্জন মৃধা (কমিটির সভাপতি), মো. আব্দুল্লাহ-আল বাকী (ইউএনও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (অসম্পন্ন), ১ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রকল্প ব্যয়), ২০ একর (জমি), ৪৯ লাখ টাকা (খরচ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!