📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত আলুটিলা গুহা, স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে 'মাতাই হাকর' নামে পরিচিত। ২৬৬টি সিঁড়ি দিয়ে নেমে গুহার ভেতরে প্রবেশ করতে হলে টর্চ বা মশালের প্রয়োজন হয়। গুহা পারতে সময় লাগে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এবং গুহার চূড়া থেকে চেঙ্গী নদী ও সবুজ পাহাড়ের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত আলুটিলা গুহা পর্যটকদের কাছে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। এই প্রাকৃতিক গুহাটি স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে 'মাতাই হাকর' নামে পরিচিত, যার অর্থ দেবতার গুহা। গুহায় পৌঁছাতে দর্শনার্থীদের ২৬৬টি সিঁড়ি দিয়ে নেমে যেতে হয়। নিচে নামার পর চোখে পড়ে একটি বিশাল বটগাছ, যার পাশেই গুহার প্রবেশমুখ অবস্থিত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত আলুটিলা গুহা স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের কাছে 'মাতাই হাকর' নামে পরিচিত, যার অর্থ দেবতার গুহা
- 📌 গুহায় প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের ২৬৬টি সিঁড়ি দিয়ে নেমে যেতে হয়
- 📌 গুহার ভেতর সম্পূর্ণ অন্ধকার, তাই প্রবেশের সময় টর্চ বা মশালের প্রয়োজন হয়
- 📌 গুহা পারতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট
- 📌 আলুটিলা টিলার চূড়া থেকে চেঙ্গী নদী ও পাহাড়ের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়
📰 বিস্তারিত
গুহার ভেতরে প্রবেশের সময় দর্শনার্থীদের টর্চ বা মশালের প্রয়োজন হয়, কারণ গুহার ভেতর সম্পূর্ণ অন্ধকার। গুহা পারতে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লাগে। গুহা ছাড়াও আলুটিলা টিলার চূড়া থেকে চেঙ্গী নদীর প্রবাহ, শহরের ভবন এবং সবুজ পাহাড়ের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ উপভোগ করতে প্রতিদিনই শত শত পর্যটক এখানে আসেন। কেউ আসেন বনভোজন করতে, কেউ অবসর কাটাতে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। গুহার প্রবেশমুখের পাশে অবস্থিত বিশাল বটগাছ পর্যটকদের মনকে আকর্ষণ করে। গুহার ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে মিশে যাওয়া বিভিন্ন শিলা ও গুহার গঠন পর্যটকদের মনকে মগ্ন করে রাখে।
"গুহার ভেতর সম্পূর্ণ অন্ধকার, তাই ভেতরে ঢুকতে হলে টর্চ বা মশাল সঙ্গে রাখা জরুরি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাটিরাঙ্গা উপজেলা, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় ত্রিপুরা সম্প্রদায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬৬টি সিঁড়ি, ১০-১৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!