📌 খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসার একমাত্র যাতায়াত রাস্তাটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষায় কাদা-পানিতে দুর্ভোগ চরমে। প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীসহ ২০০ পরিবারের মানুষ প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করলেও রাস্তাটির অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসার একমাত্র যাতায়াত রাস্তাটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বর্ষায় কাদা ও পানিতে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে ইট উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রাস্তা সংস্কারের জন্য বারবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসার একমাত্র যাতায়াত রাস্তাটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বেহাল দশা
- 📌 রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে ইট উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত; বর্ষায় কাদা ও পানিতে দুর্ভোগ চরমে
- 📌 মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী এবং ১৭ জন শিক্ষক রয়েছেন
- 📌 আশপাশের প্রায় ২০০ পরিবারের মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করছেন
- 📌 শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য বারবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি
📰 বিস্তারিত
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসার একমাত্র যাতায়াত রাস্তাটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে ইট উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বৃষ্টির পানিতে রাস্তার দুই পাশের মাটি সরে যাওয়ায় কোথাও কোথাও ভেঙে পড়েছে রাস্তার অংশ। জমে থাকা কাদা-পানির কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী এবং ১৭ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থী ফাতেমা বলেন, “ভাঙা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে অনেক কষ্ট হয়। প্রায়ই হোঁচট খেতে হয়। বর্ষায় কাদা ও পানি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।” আরেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন, “বর্ষার সময় রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। পানি ও কাদার কারণে পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে।”
মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী জহির হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ভাঙা। গাড়ি নিয়ে মাদ্রাসা পর্যন্ত আসা যায় না। নিচে গাড়ি রেখে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে আসতে হয়।” মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট আজিজুল হক জানান, রাস্তাটির দুরবস্থার কথা জানিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়েছে। সংস্কারের বিষয়ে আশ্বাসও পাওয়া গেছে।
“ভাঙা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে অনেক কষ্ট হয়। প্রায়ই হোঁচট খেতে হয়। বর্ষায় কাদা ও পানি থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।”
“বর্ষার সময় রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। পানি ও কাদার কারণে পায়ে হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে।”
“দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ভাঙা। গাড়ি নিয়ে মাদ্রাসা পর্যন্ত আসা যায় না। নিচে গাড়ি রেখে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেঁটে আসতে হয়।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রশিকনগর, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা (শিক্ষার্থী), সুমাইয়া (শিক্ষার্থী), জহির হোসেন (সহকারী মৌলভী), আজিজুল হক (সুপারিন্টেন্ডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ (পরিবার), ৪০০ থেকে ৫০০ (শিক্ষার্থী), ১৭ (শিক্ষক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!