📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কেশবপুরে অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ও পণ্য বিনষ্ট

কেশবপুরে অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা ও পণ্য বিনষ্ট

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরের কেশবপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্বপন কুমার দাসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে জিরাচিফ, কাঁচাগোল্লা জুসসহ বিভিন্ন ভেজাল পণ্য বিনষ্ট করা হয়

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গমপট্টি এলাকার একটি স্টোরে অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এই জরিমানা আরোপ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোরের কেশবপুরে অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে স্বপন কুমার দাসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে
  • 📌 অভিযানকালে জিরাচিফ, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বেনামি জুসসহ বিভিন্ন ভেজাল খাদ্যপণ্য পাওয়া যায়
  • 📌 ভোক্তা অধিকার আইনের ৩৭, ৪৩ ও ৪৫ ধারায় জরিমানা করা হয় — ৫০ হাজার, ১ লাখ ও ৫০ হাজার টাকা করে
  • 📌 জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয় এবং ভেজাল পণ্য বিনষ্ট করা হয়
  • 📌 অভিযান পরিচালনা করেন যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান

📰 বিস্তারিত

যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্বপন কুমার দাসের দোকানে অনুমোদনহীন শিশু খাদ্য পাওয়া যায়। অভিযানকালে বিএসটিআই অনুমোদন ও লাইসেন্সবিহীন জিরাচিফ, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বিভিন্ন বেনামি জুসসহ বেশ কয়েক ধরনের ভেজাল খাদ্যপণ্য পাওয়া যায়।

স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুশান্ত কুমার বলেন, অনুমোদনহীন ও মানহীন খাদ্যপণ্য স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুশান্ত কুমার ও পুলিশের সদস্যরা।

জরিমানার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা, ৪৩ ধারায় ১ লাখ টাকা এবং ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা। মোট জরিমানা ২ লাখ টাকা। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয় এবং ভেজাল পণ্যগুলো বিনষ্ট করা হয়।

"গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনবিহীন শিশু খাদ্য পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ হলে আইন অনুযায়ী আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

— যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কেশবপুর, যশোর জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বপন কুমার দাস (মালিক), সেলিমুজ্জামান (সহকারী পরিচালক), সুশান্ত কুমার (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ লাখ টাকা (জরিমানা), ২৮ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ৫০ হাজার টাকা (৩৭ ধারা), ১ লাখ টাকা (৪৩ ধারা), ৫০ হাজার টাকা (৪৫ ধারা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖