📌 বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক আড্ডায় বলেছেন, সাংবাদিকতা সত্যের আরাধনা এবং দেশের জনগণের দায়বদ্ধতা। তিনি দাসত্বের সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি জানান
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আড্ডায় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকতার মূল মন্ত্র হিসেবে সত্যের আরাধনা ও জনগণের দায়বদ্ধতার কথা জোর দিয়ে বলেছেন, সাংবাদিকতা কখনোই সহজ পথ নয়। তিনি দাসত্বের সাংবাদিকতা ও অপসাংবাদিকতার কারণে ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘায়ন ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাংবাদিকতা সত্যের আরাধনা: কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা এবং সংবাদপত্র দেশের জনগণ ছাড়া কারো কাছে দায়বদ্ধ নয়।
- 📌 দাসত্বের সাংবাদিকতা: তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ১৭ বছরে দাসত্বের সাংবাদিকতা সাংবাদিকদের মধ্যে প্রচলিত হয়েছে, যা ফ্যাসিবাদী শাসনকে দীর্ঘায়িত করেছে।
- 📌 অপসাংবাদিকতা ও হয়রানি: গণমাধ্যমের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে অপসাংবাদিকতা, হয়রানি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এআই ব্যবহারেও সামাজিকভাবে মানুষকে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।
- 📌 নিরাপত্তা ও চাকরির নিশ্চয়তা: সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি জানিয়ে তিনি সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
- 📌 সাংবাদিক সমাজের ঐক্য: তিনি সাংবাদিকদের বিভাজনের কারণে তাদের দুর্বল হয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আড্ডায় কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকতা কখনোই সহজ পথ নয়। তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, দাসত্বের সাংবাদিকতা মানুষ গ্রহণ করে না। গত ১৭ বছরে আমরা অনেক সাংবাদিককে দাসত্বের সাংবাদিকতা করতে দেখেছি। এর কারণে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।’ তিনি সাংবাদিকতার মূল মন্ত্র হিসেবে কালোকে কালো আর সাদাকে সাদা বলার কথা উল্লেখ করেছেন।
গণমাধ্যমের সংখ্যা দ্রুত বাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধিকাংশ মিডিয়ার প্রাতিষ্ঠানিকতা নেই এবং তারা বস্তনিষ্ঠ সাংবাদিকতা না করে ব্যবসায়ী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে। তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছেন এমন ব্যক্তিদের ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সামাজিকভাবে মানুষকে হেয়প্রতিপন্ন করার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, অপসাংবাদিকতা ও হয়রানি রোধে আইনের সঠিক প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, ‘নো ওয়েজবোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও চাকরির নিশ্চয়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে সাগর-রুনিসহ অনেক সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন। কথায় কথায় সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা হয়। সাংবাদিকরা জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে কথা বললেও কর্মক্ষেত্রসহ কোথাও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। একইসাথে চাকরির নিশ্চয়তাও নেই।’ তিনি সাংবাদিক সমাজের বিভাজনের কারণে তাদের দুর্বল হয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
"মনে রাখতে হবে, দাসত্বের সাংবাদিকতা মানুষ গ্রহণ করে না। গত ১৭ বছরে আমরা অনেক সাংবাদিককে দাসত্বের সাংবাদিকতা করতে দেখেছি। এর কারণে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাদের গনি চৌধুরী (বিএফইউজে মহাসচিব ও বাসস এমডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!