📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভোলার চর পাঙ্গাশিয়া বিলে জলাবদ্ধতায় আমন ধান চাষ হুমকির মুখে

ভোলার চর পাঙ্গাশিয়া বিলে জলাবদ্ধতায় আমন ধান চাষ হুমকির মুখে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভোলার চর পাঙ্গাশিয়া বিলে অস্বাভাবিক পানি জমে থাকায় প্রায় ৭০৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা প্রশাসনের কাছে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চর পাঙ্গাশিয়া বিলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি জমে থাকায় প্রায় ৭০৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানিয়েছেন, অপরিকল্পিত খাল ভরাট, কৃষিজমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং প্রাকৃতিক পানিনিষ্কাশন পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবার জলাবদ্ধতার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চর পাঙ্গাশিয়া বিলে প্রায় কোমরসমান পানি জমে থাকায় আমন ধান চাষ ব্যাহত
  • 📌 স্বাভাবিক অবস্থায় বিল থেকে বছরে প্রায় ১১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা
  • 📌 স্থানীয় কৃষকেরা প্রশাসনের কাছে স্থায়ী পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা দাবি করেছেন
  • 📌 ভোলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার কৃষকের ১৩ হাজার হেক্টর জমি আমন আবাদের জন্য হুমকির মুখে

📰 বিস্তারিত

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের চর পাঙ্গাশিয়া বিলে এবার অস্বাভাবিক পানি জমে থাকায় প্রায় ৭০৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা জানিয়েছেন, অপরিকল্পিত খাল ভরাট, কৃষিজমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং প্রাকৃতিক পানিনিষ্কাশন পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবার জলাবদ্ধতার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

চর পাঙ্গাশিয়া বিল এলাকার কৃষক মো. একরামুল আলম বলেন, কয়েক বছর ধরেই বিলে জলাবদ্ধতার সমস্যা থাকলেও এবার পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ। একসময় বছরে তিনটি ফসল উৎপাদিত হলেও এখন আমন ধান চাষ করা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, চর পাঙ্গাশিয়া বিলের মাঝখানে মাটির নিচে ৯ থেকে ১০টি এক হাজার ফুট লম্বা পাইপ স্থাপন করে পূর্ব ও পশ্চিম পাশের খালের সঙ্গে সংযোগ দিলে পানিনিষ্কাশন সম্ভব হবে। পশ্চিম ইলিশার চর পাঙ্গাশিয়ার বাসিন্দা নুরে আলম গোলদার বলেন, দুই পাশে খাল থাকলেও এখন জোয়ার ও বৃষ্টির পানি বিলে ঢুকে আর বের হতে পারছে না। ফলে তাঁর বাড়িসহ শতাধিক পরিবারের বাড়ির উঠান, সুপারিবাগান, পুকুর ও পানের বরজ পানির নিচে তলিয়ে আছে।

"খাল খননের পাশাপাশি পর্যাপ্ত বক্স কালভার্ট, স্লুইসগেট ও ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন স্থাপন ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। একই সঙ্গে ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভোলা সদর উপজেলা, চর পাঙ্গাশিয়া বিল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. একরামুল আলম, নুরে আলম গোলদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০৩ (হেক্টর), ১১ হাজার ৩০০ (মেট্রিক টন), ৯ থেকে ১০ (টি পাইপ), ৫০ হাজার (কৃষক), ১৩ হাজার (হেক্টর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖