📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উত্তরাধিকার জমিতে যৌথ নামজারি বাধ্যতামূলক: নতুন নিয়মে ওয়ারিশদের কী করতে হবে?

উত্তরাধিকার জমিতে যৌথ নামজারি বাধ্যতামূলক: নতুন নিয়মে ওয়ারিশদের কী করতে হবে?

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নতুন নিয়মে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির সব ওয়ারিশের নাম একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পৃথক খতিয়ান করার জন্য নিবন্ধিত বণ্টননামা আবশ্যক। অনলাইনে নামজারি প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে

উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে নতুন নিয়মে সব ওয়ারিশের নাম একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির সব ওয়ারিশকে যৌথভাবে নামজারি করতে হবে। এছাড়া অনলাইনে নামজারি প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে, যা আবেদনকারীদের জন্য সময় ও ব্যয় কমিয়ে দিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যৌথ নামজারি বাধ্যতামূলক: উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির সব ওয়ারিশের নাম একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। প্রত্যেককে সহ-অংশীদার হিসেবে দেখানো হবে।
  • 📌 বণ্টননামা ছাড়া পৃথক খতিয়ান নিষিদ্ধ: জমি আনুষ্ঠানিকভাবে ভাগ না হলে ওয়ারিশরা পৃথক খতিয়ান করতে পারবেন না।
  • 📌 ওয়ারিশ সনদ বাধ্যতামূলক: নামজারির আবেদনে সব ওয়ারিশের তথ্য, ওয়ারিশ সনদ এবং মৃত্যুসনদ জমা দিতে হবে। কোনো তথ্য বাদ পড়লে আবেদন নামঞ্জুর হতে পারে।
  • 📌 অনলাইন আবেদন সহজ: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি পোর্টালে আবেদন করতে হবে। আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করে অগ্রগতি চেক করতে পারবেন।
  • 📌 নামজারি না করলে সমস্যা: মালিকানা যাচাই, উন্নয়ন কর পরিশোধ এবং জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে নামজারি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নতুন নিয়মে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে সব ওয়ারিশের নাম একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হয়েছে। এতে কোনো ওয়ারিশ অন্যদের বাদ দিয়ে নিজের নামে আলাদা নামজারি করিয়ে নেওয়ার সুযোগ কমেছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেছেন, এই বিধানের ফলে অন্য ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে জমি নিজের নামে নেওয়ার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

ওয়ারিশরা যদি নিজেদের মধ্যে জমি ভাগ করতে চায়, তাহলে প্রথমে নিবন্ধিত বণ্টননামা করতে হবে। এরপর প্রত্যেকে নিজের অংশের জন্য পৃথক নামজারি ও খতিয়ানের আবেদন করতে পারবেন। তবে বণ্টননামা না থাকলে পৃথক খতিয়ান করা যাবে না। এছাড়া নামজারির আবেদনে সব ওয়ারিশের তথ্য, ওয়ারিশ সনদ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করতে হবে। কোনো ওয়ারিশের তথ্য বাদ পড়লে আবেদন নামঞ্জুর হতে পারে।

নামজারি করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে জমির ধরন ও মালিকানা অর্জনের পদ্ধতি অনুযায়ী নিবন্ধিত দলিলের কপি, আগের খতিয়ানের কপি, জমির দাগ নম্বর, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ওয়ারিশ সনদ, মৃত্যুসনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং নিবন্ধিত বণ্টননামা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)। আবেদনের আগে সব কাগজপত্রের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি, কারণ নাম, দাগ নম্বর বা মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্যে অসংগতি থাকলে আবেদন নিষ্পত্তিতে দেরি হতে পারে।

অনলাইনে নামজারি আবেদন করার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ই-নামজারি সেবা ব্যবহার করতে হবে। আবেদনকারীর পরিচয়, জমির অবস্থান, খতিয়ান, দাগ নম্বর এবং মালিকানা অর্জনের বিবরণ সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে সব ওয়ারিশের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করতে হবে এবং আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করে অগ্রগতি চেক করতে পারবেন।

"নতুন নিয়মে অন্য ওয়ারিশদের বাদ দিয়ে জমি নিজের নামে নেওয়ার সুযোগ কমবে। ওয়ারিশ সনদ এবং বণ্টননামা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে।"

ইশরাত হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশের সকল ভূমি অফিস (ই-নামজারি পোর্টালে আবেদন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইশরাত হাসান (সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (নিবন্ধিত বণ্টননামা ছাড়া পৃথক খতিয়ান নিষিদ্ধ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖