📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতত্ত্বকে কেন্দ্র করে পর্যটন খাতের উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতত্ত্বকে কেন্দ্র করে পর্যটন খাতের উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য পর্যটন খাতের জিডিপি অবদান ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৮ শতাংশে উন্নীত করা

ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত
  • 📌 সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের পরিকল্পনা
  • 📌 পর্যটন খাতের জিডিপি অবদান ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য
  • 📌 দেশে বর্তমানে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে
  • 📌 আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোটরযানের কাগজপত্র হালনাগাদ করার সময়সীমা বৃদ্ধি

📰 বিস্তারিত

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’ দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরের পর সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে অভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করা হবে বলে জানান তিনি।

সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরের পুরোনো। এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চায় সরকার। দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর পর্যটন থিমকে সামনে রেখে উন্নয়ন করা হবে। বর্তমানে দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবে সংশ্লিষ্ট টাস্কফোর্স।

‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প, যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, নিতাই রায় চৌধুরী, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ আগস্ট, ২-৩ শতাংশ, ৭-৮ শতাংশ, ৫৫৪টি, ২৯ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖