📌 বসুন্ধরার আই ব্লক এক্সটেনশনে অবস্থিত জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসে প্রকৃতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় করে একটি অনন্য আবাসিক অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছে। ৯২ কাঠা জমিতে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে ৬০ শতাংশ জায়গা খোলা রাখা হয়েছে, যেখানে লেক, সবুজ ও কমিউনিটি সুবিধাসমূহ বাসিন্দাদের জন্য একটি স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করেছে
শহরের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা দূরে থাকার স্বপ্ন পূরণের জন্য বসুন্ধরার আই ব্লক এক্সটেনশনে অবস্থিত জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেস একটি অনন্য আবাসিক অভিজ্ঞতা উপহার দিচ্ছে। এই প্রকল্পে প্রকৃতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় করে একটি স্বপ্নের বাড়ি গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে বাসিন্দারা শহরের সুবিধা পাবেন এবং প্রকৃতির মাঝে স্বস্তি পাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯২ কাঠা জমিতে বসুন্ধরার আই ব্লক এক্সটেনশনে অবস্থিত জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসে প্রকল্পের ৬০ শতাংশ জায়গা খোলা রাখা হয়েছে, যেখানে আলো-বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
- 📌 লেকের পাশে অবস্থান এবং খোলা জায়গাগুলো শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকার অনুভূতি তৈরি করেছে, যেখানে বাসিন্দারা সকালে সবুজের মাঝে হাঁটতে পারেন এবং সন্ধ্যায় লেকের ধারে সময় কাটাতে পারেন।
- 📌 ২৬০টি পার্কিং স্পেস এবং প্রকৃতিক আলো-বাতাসের নিশ্চয়তা সহ এই আবাসিক প্রকল্পে বাসিন্দাদের জন্য সুবিধাসমূহের তালিকা ছাড়াও একটি সম্পূর্ণ জীবনযাপনের অংশ হিসেবে টেনিস কোর্ট, জগিং এরিয়া, লাইব্রেরি ও বারবিকিউ স্পেস প্রদান করা হয়েছে।
- 📌 শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো যেমন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ আল মুস্তাফা এবং বসুন্ধরা গলফ এরিনা থেকে দূরত্বে না থাকায় বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবেন।
- 📌 ১০০ ফিট মাদানী এভিনিউ ও ৩০০ ফিট সড়ক এর সংযোগে গুলশান, বারিধারা ও বিমানবন্দরমুখী যাতায়াত সহজতর হয়েছে।
- 📌 কমিউনিটি জীবনকে গুরুত্ব দিয়ে এই প্রকল্পে সকালে পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা, অবসরে প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন আয়োজনে একসঙ্গে থাকার সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসের পরিকল্পনায় প্রকৃতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ৯২ কাঠা জমির মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ জায়গা খোলা রাখা হয়েছে, যা বাসিন্দাদের জন্য আলো-বাতাস, সবুজ এবং প্রকৃতির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। লেকের পাশে অবস্থান এবং খোলা জায়গাগুলো শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকার অনুভূতি তৈরি করেছে। সকালে সবুজের মাঝে হাঁটতে পারা, দিনের শেষে লেকের ধারে সময় কাটানো বা জিম এবং সুইমিং পুলে যাওয়া — এসবই এই প্রকল্পের একটি অংশ।
এই প্রকল্পে বাসিন্দাদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে, যেমন টেনিস কোর্ট, জগিং এরিয়া, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং বারবিকিউ স্পেস। এসব সুবিধা শুধু সুযোগ-সুবিধার তালিকা নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ জীবনযাপনের অংশ। বাসিন্দারা নিজের অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে জায়গাকে নিজের বলে মনে করতে পারবেন।
শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো যেমন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, হাসপাতাল, মসজিদ আল মুস্তাফা এবং বসুন্ধরা গলফ এরিনা থেকে দূরত্বে না থাকায় বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবেন। ১০০ ফিট মাদানী এভিনিউ ও ৩০০ ফিট সড়কের সংযোগে গুলশান, বারিধারা ও বিমানবন্দরমুখী যাতায়াত সহজতর হয়েছে। এছাড়াও, মসজিদ আল মুস্তাফা হাঁটা দূরত্বে হওয়ায় প্রতিদিনের ধর্মীয় জীবনেও বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য যোগ হয়েছে।
এই প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কমিউনিটি জীবন। ভালো একটি আবাসনের অভিজ্ঞতা শুধু নিজের দরজার ভেতরে তৈরি হয় না, বরং সকালে পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা, অবসরে প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন আয়োজনে একসঙ্গে থাকার মতো ছোট ছোট মুহূর্ত থেকেই একটি জায়গার সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক তৈরি হয়। জেসিএক্স গ্র্যান্ড রেসিডেন্সেসে এই ধরনের কমিউনিটি জীবনকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে।
"এই প্রকল্পে প্রকৃতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় করে একটি স্বপ্নের বাড়ি গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে বাসিন্দারা শহরের সুবিধা পাবেন এবং প্রকৃতির মাঝে স্বস্তি পাবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, আই ব্লক এক্সটেনশন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাসিন্দাদের (প্রতিবেশীরা, মানুষের)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২ কাঠা জমি, ৬০ শতাংশ খোলা জায়গা, ২৬০টি পার্কিং স্পেস, ১০০ ফিট মাদানী এভিনিউ, ৩০০ ফিট সড়ক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!