📌 জয়পুরহাটের একটি মাদ্রাসায় টানা দুই বছর কোনো শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় পাস না করলেও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে এবং ২০২৪ সালের নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগেও অনিয়ম ছিল
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের একটি মাদ্রাসায় টানা দুই বছর কোনো শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় পাস না করলেও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে এবং ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগেও অনিয়ম ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়পুরহাটের সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর দাখিল মাদ্রাসায় টানা দুই বছর (২০২৫ ও ২০২৬) কোনো শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় পাস না করলেও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 অভিযোগকারী মো. আসমাউল হোসেন লিটন ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
- 📌 ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 বর্তমানে নবসৃষ্ট অফিস সহায়ক পদে অর্থের বিনিময়ে মো. জাকির হোসেনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 তদন্ত কমিটিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম (আহ্বায়ক), উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর মোহাম্মদ আলী অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 মাদ্রাসার সুপার মো. হাবিবুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুৎ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
📰 বিস্তারিত
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর দাখিল মাদ্রাসায় টানা দুই বছর কোনো শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় পাস না করলেও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগকারী মো. আসমাউল হোসেন লিটন ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক-উর-রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন। তাঁর অনুপস্থিতিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় এবং পরে ওই কর্মচারীর এমপিওভুক্তির কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে নবসৃষ্ট অফিস সহায়ক পদে অর্থের বিনিময়ে আক্কেলপুর পৌরসভার শ্রীকৃষ্টপুর মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মো. জিল্লুর রহমানের ছেলে মো. জাকির হোসেনকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগকারী জানান, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসাটির কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। অথচ একাডেমিক কার্যক্রমে নজর না দিয়ে নতুন করে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের চেষ্টা চলছে।
তদন্ত কমিটিতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর মোহাম্মদ আলী। ইউএনও আশিক-উর-রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে তদন্ত কমিটিকে সরেজমিনে তদন্ত করে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
মাদ্রাসার সুপার মো. হাবিবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘সরকারি বিধিবিধান মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়।’ মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বিদ্যুৎও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
"সরকারি বিধিবিধান মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সঠিক নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাটের আক্কেলপুর, সোনামুখী ইউনিয়নের গণিপুর দাখিল মাদ্রাসা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসমাউল হোসেন লিটন (অভিযোগকারী), ইউএনও আশিক-উর-রহমান, মো. হাবিবুর রহমান (মাদ্রাসার সুপার), মো. জাকির হোসেন (অভিযোগিত প্রার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর (অভিযোগ দাখিলের তারিখ), ৭টা ১৮ মিনিট (গ্যাস খালাসের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!