📌 যশোরের কেশবপুরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের মারামারিতে চারজন আহত। মৃত আব্দুল খালেকের লাশ নিয়ে দাফন অনিশ্চিত হয়ে পড়লে এলাকাবাসীর সহায়তায় শেষ পর্যন্ত দাফন সম্পন্ন হয়
যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্যাসগাছা গ্রামে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের চারজন আহত হন। মৃত আব্দুল খালেক মান (৯০)-এর লাশ নিয়ে দাফন অনিশ্চিত হয়ে পড়লে এলাকাবাসীর সহায়তায় শেষ পর্যন্ত তার দাফন সম্পন্ন হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের কেশবপুরে আব্দুল খালেক মান (৯০)-এর মৃত্যুতে দুই ছেলের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়
- 📌 চার-পাঁচ বছর আগে বড় ছেলে মাহাবুর রহমান সম্পত্তি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করেন
- 📌 ছোট ছেলে আছাবুর রহমান পুরোনো বাড়ি ও কবরস্থান কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন
- 📌 সোমবার সকালে আব্দুল খালেকের মৃত্যু হলে কবর খুঁড়তে গিয়ে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষ শুরু হয়
- 📌 মারামারিতে দুই ভাইসহ চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন
- 📌 পুলিশের হস্তক্ষেপ ও এলাকাবাসীর সহায়তায় মৃতের দাফন সম্পন্ন হয়
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের সন্যাসগাছা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল খালেক মান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার দুই ছেলে মাহাবুর রহমান ও আছাবুর রহমান মরদেহ দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে যান। এ সময় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।
চার-পাঁচ বছর আগে মাহাবুর রহমান তার বাবার বসতবাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থান নিজের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। পরে তিনি নতুন বাড়ি করে আলাদা বসবাস শুরু করেন। অন্যদিকে গ্রাম্য মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় আছাবুর রহমান পুরোনো বাড়ি ও কবরস্থান কিনে সেখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে বসবাস করতে থাকেন। জীবনের শেষ সময়ে অসুস্থ আব্দুল খালেক তার বড় ছেলের আশ্রয়ে ছিলেন।
সোমবার সকালে তার মৃত্যু হলে পুরোনো পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে যান মাহাবুর। এ সময় ছোট ভাই আছাবুর কবর খোঁড়ায় বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, জমি কেনার সূত্রে কবরস্থানের জায়গার মালিকানা তার। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
‘বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে জমি ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিষয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই ভাই। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বৃদ্ধের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।’ — কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেকসানা খাতুন
মারামারিতে বড় ভাই মাহাবুর রহমান, তার স্ত্রী মমতাজ বেগম ও মেয়ে লিলিমা খাতুন এবং ছোট ভাই আছাবুর রহমান ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম আহত হন। পরে তাদের যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষের কারণে মৃতের দাফন অনিশ্চিত হয়ে পড়লে পুলিশের হস্তক্ষেপে এলাকাবাসীর সহায়তায় শেষ পর্যন্ত আব্দুল খালেকের দাফন সম্পন্ন হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্যাসগাছা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল খালেক মান (৯০), মাহাবুর রহমান, আছাবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!