📌 যশোরে চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে তিন লাখ একচল্লিশ হাজার টাকা আত্মসাৎ মামলায় সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়
যশোরে চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে তিন লাখ একচল্লিশ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনায় সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। অভিযান চালিয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার একটি এলাকা থেকে শাহীনুর রহমান শাহিন ও সঞ্জয় গুপ্তাকে গ্রেফতার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোর শহরের একটি শোরুমে চিকিৎসকের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পোশাক কেনাকাটার সময় তথ্য সংগ্রহ করা হয়
- 📌 ব্যাংক কর্মকর্তা সেজে ফোন করে কার্ডের তথ্য সংগ্রহ করে ছয়টি এমএফএস নম্বরে তিন লাখ একচল্লিশ হাজার টাকা স্থানান্তর করা হয়
- 📌 ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক
- 📌 গ্রেফতার আসামিরা স্বীকার করেছেন যে তারা পূর্বে একাধিক ব্যক্তির নামে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা চালাতেন
📰 বিস্তারিত
বুধবার দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিআইডি সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন শাহীনুর রহমান শাহিন (৫০) ও সঞ্জয় গুপ্তা (৩১)। শাহীন একটি মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার এবং সঞ্জয় একই প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড প্রমোটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর যশোর শহরের একটি শোরুমে পোশাক কেনার সময় চিকিৎসক ক্রেডিট কার্ড দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন। লেনদেনে জটিলতার কারণে প্রায় পনেরো থেকে বিশ মিনিট সময় লাগে। এর কয়েকদিন পর ৩১ ডিসেম্বর এক ব্যক্তি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন করে কার্ড সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার কথা জানান। কার্ড সচল করার কথা বলে তিনি চিকিৎসকের কাছ থেকে কার্ডের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। এরপর রাতেই সাতটি লেনদেনের মাধ্যমে চিকিৎসকের অ্যাকাউন্ট থেকে ছয়টি এমএফএস নম্বরে মোট তিন লাখ একচল্লিশ হাজার টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মার্চ কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক। সিআইডির তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পূর্বে গ্রেফতার আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে শাহীন ও সঞ্জয়সহ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।
"তদন্তে জানা যায়, শাহীন মোবাইল অপারেটরের সুপারভাইজার থাকাকালে ব্র্যান্ড প্রমোটারদের মাধ্যমে গ্রাহকদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট একাধিকবার সংগ্রহ করে অতিরিক্ত সিম নিবন্ধন করাতেন। এসব সিম দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হতো। পরে সেগুলো ক্রেডিট কার্ড ও বিকাশসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতারণায় ব্যবহার করা হতো বলে জানিয়েছে সিআইডি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর শহর, দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহীনুর রহমান শাহিন, সঞ্জয় গুপ্তা, চিকিৎসক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন লাখ একচল্লিশ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!