📌 সচিবালয়ে বিএনপির দলীয় বৈঠকের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ গণতন্ত্রের প্রশ্ন তুলেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নের বিষয়েও মত প্রকাশ করেন তিনি।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির দলীয় বৈঠকের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সচিবালয়ে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠকের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সচিবালয়ে বিএনপির দলীয় বৈঠকের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ গণতন্ত্রের প্রশ্ন তুলেছেন
- 📌 রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বৈঠক নিয়ে সমালোচনা
- 📌 রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নের বিষয় তুলে ধরেন জামায়াত নেতা
- 📌 সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে এমপিদের স্বাধীন ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীর মনোনয়পত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, সচিবালয় নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্র। এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠকের রেকর্ড তাঁদের জানা নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘এই কাজটি উনারা (বিএনপি) করছেন। তাহলে ওনারা গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখেন? আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, নাহলে স্বৈরতন্ত্র!’ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বৈঠক নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নের বিষয় তুলে ধরে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন তাঁরা চান না। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো প্রতিযোগিতা। গণতন্ত্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত তাঁদের।
"সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে সংসদ সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন না। বিএনপি চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য গোপন ব্যালটে ভোটের বিধান চালু করতে পারত। সবাই মিলে যখন একমত হয়েছি একটা অধ্যাদেশ জারি করে বাংলাদেশে গণতন্ত্র উচ্চ পর্যায়ে থেকে চর্চা শুরু করার সুযোগ ছিল। কিন্তু তারা করলেন না।"
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হতো, আর এমপিরা স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারতেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন বলে তাঁরা মনে করেন। কারণ, সংসদ সদস্যদের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আগারগাঁও, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামিদুর রহমান আযাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!