📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরে ৫১ শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশী অনশনে: ‘চাকরি না পেলে কী করব?’

জামালপুরে ৫১ শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশী অনশনে: ‘চাকরি না পেলে কী করব?’

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫১ জনের মধ্যে শুধু ৮৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অনশনে বসেই তারা দাবি করছেন, ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষাবর্ষে তাদেরও নিয়োগ দেওয়া হোক

জামালপুর সদর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫১ জনের মধ্যে শুধু ৮৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। অনশনে বসেই তারা দাবি করছেন, ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষাবর্ষে তাদেরও নিয়োগ দেওয়া হোক। অনশনে বসা এই শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম আমির হোসেন বলেছেন, ‘আমার বাবা একজন ভ্যানচালক। চর এলাকায় ভ্যান চালিয়ে ছয়জনের সংসার চালান। আমি অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছি। এখন চাকরিটা পেলেও যদি নিয়োগপত্র না পাই, তাহলে আমরা কোথায় যাব?’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ১৩৬ জনের মধ্যে ৮৫ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, বাকি ৫১ জনের নিয়োগপত্র বিলম্বিত
  • 📌 অনশনে বসা শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম আমির হোসেনের বাবা ভ্যানচালক, ছয়জনের সংসার চালান
  • 📌 ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষাবর্ষে নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে অনশনকারী শিক্ষকদেরও নিয়োগ দেওয়ার দাবি
  • 📌 সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান বলেছেন, ঢাকায় মিটিংয়ে থাকায় বিষয়টি সমাধান হলে একসঙ্গে সমাধান হবে
  • 📌 অনশনে বসা শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম শামীমা ইয়াসমিন সুমি বলেছেন, ‘চাকরি না পেলে আমার চাকরিতে আবেদনের বয়স শেষ হয়ে যাবে’

📰 বিস্তারিত

জামালপুর সদর উপজেলার আমির হোসেনের বাবা একজন ভ্যানচালক। তিনি চর এলাকায় ভ্যান চালিয়ে ছয়জনের সংসার চালান। আমির হোসেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো নিয়োগপত্র পাননি। তিনি বলেন, ‘চার ভাই-বোনের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়। অনেক কষ্ট করে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছি। এখন চাকরিটা পেয়েও যদি নিয়োগপত্র না পাই, তাহলে আমরা কোথায় যাব?’

জামালপুর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ১৩৬ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। প্রথম ধাপে ৮৪ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। দ্বিতীয় ধাপে গত সোমবার আরও একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছিল। ফলে একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ৫১ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি। অনশনে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম শামীমা ইয়াসমিন সুমি বলেন, ‘এই চাকরি না হলে আমার চাকরিতে আবেদনের বয়স শেষ হয়ে যাবে। আগামীকাল ১ অক্টোবর যারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁরা চাকরিতে যোগ দেবেন। তাঁদের সঙ্গে আমরাও বিদ্যালয়ে যোগ দিতে চাই।’

অনশনে থাকা শিক্ষকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা দাবি করছেন, একই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুপারিশপ্রাপ্ত অন্যদের সঙ্গে তাদেরও নিয়োগপত্র দিয়ে ১ অক্টোবর বিদ্যালয়ে যোগদানের সুযোগ দেওয়া হোক। এ বিষয়ে জেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান বলেন, ‘ঢাকায় মিটিংয়ে রয়েছি। বিষয়টি সমাধান হলে একসঙ্গে সমাধান হবে।’

"আমার বাবা একজন ভ্যানচালক। চর এলাকায় ভ্যান চালিয়ে ছয়জনের সংসার চালান। আমি অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছি। এখন চাকরিটা পেয়েও যদি নিয়োগপত্র না পাই, তাহলে আমরা কোথায় যাব?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জামালপুর সদর উপজেলা, জামালপুর জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির হোসেন, শামীমা ইয়াসমিন সুমি, মোহাম্মদ আলী আহসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ জন (অনশনকারী শিক্ষক), ৮৫ জন (নিয়োগপ্রাপ্ত), ১৩৬ জন (সুপারিশপ্রাপ্ত), ১ অক্টোবর (শিক্ষাবর্ষ শুরু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖