📌 ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশান-২-এর লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে ধর্মীয় সহিংসতা প্রতিরোধে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব। যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তায় পরিচালিত এমআইপিএস প্রকল্পের আওতায় ২৭ জেলায় ৭৪টি উপজেলায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে
২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশান-২-এর লেকশোর হোটেলে ‘সম্প্রীতির বন্ধনে শান্তির বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে ধর্মীয় সহিংসতা প্রতিরোধে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেছেন, ধর্মীয় বিবাদ ও সহিংসতা রোধে এই ধরনের সংলাপের মাধ্যমে সৃষ্ট সচেতনতা এবং ধর্মীয় নেতাদের অবস্থানের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তারা শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ধর্মীয় সহিংসতা প্রতিরোধে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- 📌 প্রধান অতিথি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল, এমপি বলেন, সব ধর্মেই শান্তি ও সম্প্রীতি প্রচার করা হয়েছে।
- 📌 যুক্তরাজ্য সরকারের সহায়তায় পরিচালিত এমআইপিএস প্রকল্পের আওতায় ২৭টি জেলা ও ৭৪টি উপজেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি বাড়ানোর কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- 📌 বক্তারা বলেন, ধর্মীয় নেতাদের সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
- 📌 মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ার অধ্যাপক মাহমুদুল এইচ সুমন।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ০৮:১৭ টায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সহনশীল এবং অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি প্রত্যেক মানুষকে শান্তির দূত হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আশা প্রকাশ করেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বলেন, সব ধর্মেই শান্তি ও সম্প্রীতি প্রচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, আন্তঃধর্মীয় সংলাপের উদ্যোগের জন্য দি হাঙ্গার প্রজেক্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার লুইস বেনন, শিক্ষক ও গবেষক ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, ঢাকা আর্চডায়োসিসের ইন্টাররিলিজিয়াস ডায়লগ কমিশনের কো-কোঅর্ডিনেটর সিস্টার রেবা ভেরোনিকা ডি’কস্টা এবং বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকারী অধ্যাপক মাহমুদুল এইচ সুমন বলেন, আন্তঃধর্মীয় সংলাপের মাধ্যমে ধর্মীয় সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আলোচনায় অংশ নেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক রফিকুল ইসলাম, স্পেস-এর ভাইস-চেয়ারপারসন ইলিরা দেওয়ান, আইএফইএস-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার সৈকত শুভ্র আইচ এবং সেন্টার ফর ইসলামিক হেরিটেজের সমন্বয়কারী ইমরান হোসেন তুষার।
সম্মেলনে আন্তঃধর্মীয় সংলাপের অর্জন, শিক্ষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং শান্তি সহায়ক দলগুলোর নেতারা অংশ নেন। দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, বর্তমানে ২৭টি জেলা ও ৭৪টি উপজেলায় এমআইপিএস প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ, তরুণ শান্তিদূত, নারী শান্তি সহায়ক এবং জাতীয় আন্তঃধর্মীয় প্ল্যাটফর্ম ধর্মীয় সহিংসতা প্রতিরোধ ও সম্প্রীতি প্রসারে কাজ করছে।
"সব ধর্মেই শান্তি, সম্প্রীতি ও সহনশীলতার কথা বলা হয়েছে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে নৈতিক দায়িত্ব পালন করলে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।"
"প্রয়োজন হলে এ ধরনের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লেকশোর হোটেল, গুলশান-২, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল ইসলাম জামাল (সভাপতি, এমপি), প্রশান্ত ত্রিপুরা (কান্ট্রি ডিরেক্টর), লুইস বেনন (গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার), ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা (শিক্ষক ও গবেষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ জেলা, ৭৪ উপজেলা, ০৮:১৭ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!