📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন মাত্র ১০.৫% বাংলাদেশি, আবেদনকারীদের অভিজ্ঞতা নেতিবাচক

তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন মাত্র ১০.৫% বাংলাদেশি, আবেদনকারীদের অভিজ্ঞতা নেতিবাচক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন মাত্র ১০.৫% মানুষ, যদিও ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৭.৭%। জরিপে দেখা যায়, তথ্য চেয়ে আবেদনকারী নাগরিকের সংখ্যা খুবই কম এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও আইনের বাস্তবায়নে দুর্বলতা রয়েছে

বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন নাগরিকের হার মাত্র ১০.৫ শতাংশ। এই তথ্য প্রকাশ করেছে সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও তথ্য অধিকার ফোরামের একটি জাতীয় জরিপ। জরিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার ২০০ জন নাগরিকের মধ্যে মাত্র ১০.৫ শতাংশই আইন সম্পর্কে জানেন, যা ২০১৯ সালের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে (তখন এই হার ছিল ৭.৭ শতাংশ)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন মাত্র ১০.৫% বাংলাদেশি, ২০১৯ সালে ছিল ৭.৭%
  • 📌 তথ্য চেয়ে আবেদনকারী সচেতন নাগরিকের মধ্যে মাত্র ৪.৬% (২০১৯ সালে ২.৮%)
  • 📌 ৭২% নাগরিক মনে করেন, সরকারি তথ্য তাদের কাজে লাগতে পারে
  • 📌 ৮৭.৭% এলাকার সমস্যা সমাধানে তথ্যের ভূমিকা স্বীকার করেছেন
  • 📌 তথ্য কমিশনের ৬৩% অভিযোগ শুনানিতে ৩০ দিনের বেশি সময় লেগেছে
  • 📌 ৫১.৫% আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা নেতিবাচক, কারণ দেরি ও অনীহা
  • 📌 তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাদের ৯৮% আইন সম্পর্কে জানেন, কিন্তু ৬৫% আবেদন নথি সংরক্ষণ করেন না

📰 বিস্তারিত

জরিপে দেখা যায়, তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন নাগরিকদের মধ্যে মাত্র ৪.৬ শতাংশ কখনো না কখনো তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন। ২০১৯ সালের তুলনায় এই হার বেড়েছে, কিন্তু এখনও খুবই কম। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৭২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছেন, তাদের বা ভবিষ্যতে তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে। স্থানীয় সমস্যা সমাধানে তথ্যের ভূমিকা সম্পর্কেও নাগরিকদের ইতিবাচক ধারণা রয়েছে। এলাকার সমস্যা থাকলে ৮৭.৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, তথ্য পেলে সমস্যা সমাধানে সহায়তা হবে। তবে এক-চতুর্থাংশের বেশি উত্তরদাতা কোনো নির্দিষ্ট তথ্য চাওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারেননি।

আইন সম্পর্কে জানা থাকলেও আবেদন করার পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা সীমিত। সচেতন উত্তরদাতাদের মাত্র ৮ শতাংশ বলেছেন, তথ্য চাওয়ার নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। আবেদন করার নিয়ম বা কোথায় আবেদন করতে হয়, তা না জানা তথ্য না চাওয়ার একটি প্রধান কারণ। কিছু নাগরিক মনে করেন, আইনটি কার্যকর হবে না।

জরিপে অংশ নেওয়া তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তাদের ৯৮ শতাংশ আইন সম্পর্কে জানেন, কিন্তু আইন ও আবেদন প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ ধারণা আছে মাত্র ৩৫ শতাংশের। আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ৪৯ শতাংশ কর্মকর্তা। প্রায় ৬৪ শতাংশ কর্মকর্তা তথ্য অধিকার আইনে আসা আবেদনগুলোর সমন্বিত নথি সংরক্ষণ করেন না। আবেদনকারীদের অভিজ্ঞতাও মিশ্র। তাদের ৪৮.৫ শতাংশ তথ্য পাওয়ার অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচক বলেছেন, কিন্তু ৫১.৫ শতাংশের অভিজ্ঞতা নেতিবাচক। নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে দেরি, আবেদন গ্রহণে অনীহা, অপ্রয়োজনীয় ফি দাবি ও লিখিত জবাব দিতে না চাওয়া।

তথ্য না পেলে আপিলের সুযোগ থাকলেও সেই ব্যবস্থায় দুর্বলতা রয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া আপিল কর্তৃপক্ষের ৩০ শতাংশ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পাননি। তথ্য কমিশনের ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেওয়া ১০০টি সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৩ শতাংশ অভিযোগ শুনানির জন্য গ্রহণ করতেই ৩০ দিনের বেশি সময় লেগেছে। অভিযোগ গ্রহণের পর ৮১ শতাংশ মামলার নিষ্পত্তি আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হয়েছে। তবে কমিশনের পক্ষে তথ্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরও ২৩ শতাংশ অভিযোগকারী শেষ পর্যন্ত তথ্য পাননি।

"আইন সম্পর্কে সহজ ভাষায় প্রচার, আবেদন ও আপিলের পদ্ধতি সহজ করা, দপ্তরগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যোগাযোগের তথ্য প্রকাশ, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও তথ্য কমিশনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় জরিপ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাগরিক, কর্মকর্তা, তথ্য প্রদানকারী, আপিল কর্তৃপক্ষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০.৫%, ৭.৭%, ৪.৬%, ২.৮%, ৭২%, ৮৭.৭%, ৩৫%, ৬৪%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖