📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নীলফামারীতে নিষিদ্ধ মেশিনে নদী কেটে বালু উত্তোলন: তিস্তা সেচ প্রকল্পের ঝুঁকিতে পরিবেশ ও কৃষি

নীলফামারীতে নিষিদ্ধ মেশিনে নদী কেটে বালু উত্তোলন: তিস্তা সেচ প্রকল্পের ঝুঁকিতে পরিবেশ ও কৃষি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় ইজারার আড়ালে চাড়ালকাটা নদী থেকে নিষিদ্ধ মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন চলছে। স্থানীয়রা দাবি, প্রতিদিন ১০ লাখ টাকার বালু বাণিজ্য করে পরিবেশ ও তিস্তা সেচ প্রকল্পের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসন সতর্কবার্তা দিলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় চাড়ালকাটা নদীর তলদেশ অপরিকল্পিতভাবে কাটা হচ্ছে বালু উত্তোলনের জন্য। ইজারার আড়ালে নিষিদ্ধ বোমা মেশিন ব্যবহার করে প্রতিদিন ১০ লাখ টাকার বেশি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, যা পরিবেশের পাশাপাশি তিস্তা সেচ প্রকল্পের অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, এই অবৈধ কার্যকলাপের কারণে নদীভাঙন, ফসলি জমির ক্ষতি এবং সড়ক-সেতুর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নিষিদ্ধ মেশিন ব্যবহার: চাড়ালকাটা নদীর তলদেশে ২৪ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি মেশিনে ১০ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপ যুক্ত করে বালু উত্তোলন চলছে।
  • 📌 বালু বাণিজ্যের আকার: প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০টি ডাম্প ট্রাকে করে ১০ লাখ টাকার বেশি বালু উত্তোলন ও পরিবহন করা হচ্ছে।
  • 📌 অবকাঠামো ক্ষতির ঝুঁকি: তিস্তা সেচ প্রকল্পের ক্যানেল, বাঁধ, সেতু ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি, সেচব্যবস্থা ধসে পড়লে হাজার হাজার কৃষক ক্ষতির মুখে পড়বে।
  • 📌 প্রশাসনের অকার্যকর পদক্ষেপ: উপজেলা প্রশাসন ইজারাদারকে মৌখিক সতর্কবার্তা দিয়েছে, কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
  • 📌 পরিবেশ দূষণ: বালু উত্তোলনের সময় নির্গত তেলে নদীর পানি তৈলাক্ত হয়ে পড়ছে, যা কৃষি ও মৎস্যসম্পদ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

জলঢাকা উপজেলার হরিশচন্দ্রপাঠ, পাইটকাপাড়া, বাশদহ ও বেরুবন্দ এলাকায় চাড়ালকাটা নদীর বাম তীরে গত জুনে ৫১ লাখ ৪২ হাজার ঘনফুট বালু নিলামে বিক্রির জন্য ৩১ লাখ টাকায় ইজারা দেয়া হয়েছিল। ইজারার শর্ত অনুযায়ী, নদীর পাড়ে স্তূপ করে রাখা বালু ১২০ দিনের মধ্যে সরিয়ে নিতে হতো। তবে স্থানীয়রা দাবি করছেন, ইজারার আড়ালে নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, নদীর তলদেশ কাটার কারণে নদীভাঙন, ফসলি জমির ক্ষতি এবং পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি তিস্তা সেচ প্রকল্পের ক্যানেল ও বাঁধের ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং তিন-চারটি মেশিন দিয়ে বালু তোলার সময় নির্গত তেলে নদীর পানি তৈলাক্ত হয়ে পড়েছে।

অতিরিক্ত ওজনের ডাম্প ট্রাক চলাচলের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ ও আঞ্চলিক সড়কের পিচ-পাথর উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেতু ও কালভার্ট। কৃষকদের দাবি, প্রায়ই সেচ ক্যানেলের সড়ক ভেঙে হাজার হাজার একর জমির ফসল নষ্ট হয়। এ সড়ক ধসে পড়লে পুরো সেচব্যবস্থা অচল হয়ে পড়তে পারে।

"নদীর তলদেশ অপরিকল্পিতভাবে কাটা হলে এবং সেচ খালের বাঁধের ওপর দিয়ে নিয়মিত ভারী যান চলাচল করলে নদী প্রতিরক্ষা ও সেচ প্রকল্প—দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্রুত ডাম্প ট্রাক চলাচল ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা না গেলে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।"

— পাউবো নীলফামারী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা মাহমুদ

প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি স্বীকার করেছেন, ইজারাদারকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তবে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি যে, নদী থেকে মোট কত বালু তোলা হয়েছে এবং রাতে ডাম্প ট্রাক চলাচলের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, ইজারার শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশাসন সতর্কবার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জলঢাকা উপজেলা, নীলফামারী, চাড়ালকাটা নদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা, পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা মাহমুদ, ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (বালু বাণিজ্য), ৫১ লাখ ৪২ হাজার ঘনফুট (বালু), ৩১ লাখ টাকা (ইজারা), ১২০ দিন (সরিয়ে নিতে হবে), ২৪ হর্সপাওয়ার (মেশিন), ৫০-৬০টি (ডাম্প ট্রাক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖