📌 কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদ থেকে অননুমোদিতভাবে বালু উত্তোলন চলছে, যা ১৩৬ কোটি টাকার সোনাহাট সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বালু বিক্রি করে বাঁধের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করছে
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় দুধকুমার নদ থেকে অননুমোদিতভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে, যা ১৩৬ কোটি টাকার নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতু ও নদীর তীর রক্ষা বাঁধের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, এই অবৈধ কার্যক্রমের ফলে বাঁধের ব্লক স্থানচ্যুত হয়ে ধসে পড়তে পারে এবং তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমিও বিপদে পড়বে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদ থেকে তিনটি ড্রেজার বসিয়ে অননুমোদিতভাবে বালু উত্তোলন চলছে, যা ১৩৬ কোটি টাকার সোনাহাট সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করেছে
- 📌 স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পাইকেরছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাই আলম হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সরকার ও লেবু মিয়ার নেতৃত্বে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে
- 📌 সোনাহাট স্থলবন্দরগামী সড়কে নির্মাণাধীন ৬৪৫.১৫ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতু ও পাউবোর তীর রক্ষা বাঁধের পাশে এই অবৈধ কার্যক্রমের ফলে ভারী বৃষ্টিপাতে বাঁধ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা জালাল, আজিজুর রহমান ও রফিকুল বলেছেন, বাঁধের ব্লক স্থানচ্যুত হয়ে ধসে যেতে পারে এবং তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমিও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে
- 📌 আলম হোসেন বলেছেন, ড্রেজার বন্ধ রয়েছে এবং তা সরিয়ে নেওয়া হবে, কিন্তু স্থানীয়রা এটিকে মিথ্যা দাবি হিসেবে দেখছেন
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেছেন, বালু উত্তোলন বন্ধ করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
দুধকুমার নদে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সোনাহাট সেতু ও তীর রক্ষা বাঁধের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সোনাহাট স্থলবন্দরগামী সড়কে প্রায় ১৩০ বছরের পুরোনো একটি রেলসেতু রয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ পাশে ৬৪৫.১৫ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতু নির্মাণাধীন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সেতু ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তীর রক্ষা বাঁধের পাশে তিনটি অননুমোদিত ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
পাইকেরছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাই আলম হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক সরকার ও লেবু মিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী মহল এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, বালু উত্তোলনের ফলে বাঁধের ব্লক স্থানচ্যুত হয়ে ধসে পড়তে পারে এবং তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমিও বিপদে পড়বে।
অভিযোগের বিষয়ে আলম হোসেন বলেছেন, “কয়েক দিন ধরে ড্রেজার বন্ধ রয়েছে। ড্রেজার সরিয়ে নেওয়া হবে।” তবে স্থানীয়রা এটিকে মিথ্যা দাবি হিসেবে দেখছেন। পুলিশের থানা কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেছেন, বালু উত্তোলন বন্ধ করা পুলিশের কাজ নয়, প্রশাসন চাইলে পুলিশ সহায়তা করবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেছেন, বালু উত্তোলন বন্ধ করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"কয়েক দিন ধরে ড্রেজার বন্ধ রয়েছে। ড্রেজার সরিয়ে নেওয়া হবে।"
"বালু উত্তোলন বন্ধ করা পুলিশের কাজ নয়। প্রশাসন চাইলে পুলিশ সহায়তা করবে।"
"বালু উত্তোলন বন্ধ করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা, দুধকুমার নদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলম হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক সরকার, জালাল, আজিজুর রহমান, রফিকুল, অমৃত দেব নাথ, আজিম উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৬ কোটি টাকা (সোনাহাট সেতু), ১৩০ বছর (পুরোনো রেলসেতু), ৬৪৫.১৫ মিটার (নতুন সেতুর দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!