📌 কক্সবাজারের উখিয়া পাটুয়ারটেক সৈকতের পাশে অবৈধভাবে নির্মিত কোরাল বিচ রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তা বিপদ সৃষ্টি হয়েছে। টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে ১০ পর্যটক মারা যাওয়ার পরও প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকায় নতুন রিসোর্ট নির্মাণ চলছে। জেলায় ২০০০টি হোটেল-রিসোর্টের মধ্যে মাত্র ১১৫টিতে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ রয়েছে
কক্সবাজারের উখিয়া পাটুয়ারটেক সৈকত এলাকায় অবৈধভাবে নির্মিত কোরাল বিচ রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা বিপদে পড়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্টের মতোই এই রিসোর্টেও কোনো সনদ বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। গতকাল রোববার দুপুরে রিসোর্টটিতে গিয়ে দেখা গেছে, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও পাওয়া যায়নি। প্রায় ১০ বিঘা জমিতে নির্মিত এই রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তালুকদার জানান, তারা ধাপে ধাপে সনদ সংগ্রহ করবেন। তবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং আগুনে প্রাণহানি ঘটার পরেও নতুন রিসোর্ট নির্মাণ চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজারের উখিয়া পাটুয়ারটেক সৈকতের পাশে অবৈধভাবে নির্মিত কোরাল বিচ রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।
- 📌 টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে ১০ পর্যটক মারা যাওয়ার পরও প্রশাসন নিষ্ক্রিয় থাকায় নতুন রিসোর্ট নির্মাণ চলছে।
- 📌 কক্সবাজার জেলায় ২০০০টি হোটেল-রিসোর্টের মধ্যে মাত্র ১১৫টিতে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ রয়েছে।
- 📌 মেরিন ড্রাইভের প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই নতুন রিসোর্ট নির্মাণ চলছে।
- 📌 ২৫ বছরে কক্সবাজারে হোটেল-রিসোর্টের সংখ্যা বেড়েছে ২০০ থেকে ২০০০-এর বেশি।
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজারের উখিয়া পাটুয়ারটেক সৈকতের পাশে গড়ে উঠেছে কোরাল বিচ রিসোর্ট। এই রিসোর্টটি টুপটুপ রিসোর্টের মতোই অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রিসোর্টের মতোই এখানেও কোনো অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। গতকাল রোববার দুপুরে রিসোর্টটিতে গিয়ে দেখা গেছে, অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও পাওয়া যায়নি। প্রায় ১০ বিঘা জমিতে নির্মিত এই রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, তারা ধাপে ধাপে সনদ সংগ্রহ করবেন। তবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এবং আগুনে প্রাণহানি ঘটার পরেও নতুন রিসোর্ট নির্মাণ চলছে।
টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগার পরদিন গতকাল দিনভর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই নতুন রিসোর্ট ও কটেজ নির্মাণের কাজ চলছে। শহরে আটতলা হোটেলও অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া নির্মাণ চলছে। বিভিন্ন সংস্থা অনিয়ম চিহ্নিত করে নোটিশ দিচ্ছে, কিন্তু নির্মাণ ও ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, মেরিন ড্রাইভের দুই পাশে প্রায় আড়াই হাজার স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ প্রায় ২৫০টি। তারকা মানের কয়েকটি ছাড়া অন্যগুলোর বৈধ অনুমোদন নেই। শুধু কক্সবাজার শহরের প্রায় চার বর্গকিলোমিটার এলাকায় হোটেল-রিসোর্ট রয়েছে ৫৩৭টি। শহরের বাইরে মেরিন ড্রাইভ ধরে হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফেও ব্যবসা ছড়িয়েছে।
"আমরা অগ্নিনিরাপত্তা সনদের জন্য আবেদন করেছেন। অন্য সরকারি সংস্থার অনুমোদনের কাগজপত্র প্রস্তুত করছি।"
সোনারপাড়া এলাকায় বাঁশ ও বেত দিয়ে নির্মিত ছয়টি কটেজের অন্যতম কর্ণধার ইমরান নাজির বলেন, তারা সরকারি অনুমোদন না থাকলেও নির্মাণকাজ থেমে নেই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, উখিয়া পাটুয়ারটেক সৈকত, মেরিন ড্রাইভ, সোনারপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসান তালুকদার, প্রকৌশলী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ইমরান নাজির, মামুন হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বিঘা জমি, ১০ পর্যটক, ৩০ কিলোমিটার, ৯০ লাখ পর্যটক, ২৫ বছর, ২০০ থেকে ২০০০ হোটেল-রিসোর্ট, ৫৩৭টি হোটেল-রিসোর্ট, ৬০টি রিসোর্ট-কটেজ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!