📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভৈরব রেলওয়ে জংশনে অবৈধ বিদ্যুৎ বাণিজ্য: প্রকৌশলীর পালিয়ে যাওয়া দেখলেন সাংবাদিকরা

ভৈরব রেলওয়ে জংশনে অবৈধ বিদ্যুৎ বাণিজ্য: প্রকৌশলীর পালিয়ে যাওয়া দেখলেন সাংবাদিকরা

📷 ছবি: DBC News

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডিবিসি নিউজ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশনে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে লাখ টাকার বাণিজ্য চলছে। ভৈরব রেলওয়ে জংশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল মামুনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের দেখেই তিনি অফিস থেকে পালিয়ে যান।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে চলছে লাখ টাকার বাণিজ্য। বাংলাদেশ রেলওয়ের বিপুল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অনিয়ম। ভৈরব রেলওয়ে জংশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) মোহাম্মদ আল মামুনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভৈরব রেলওয়ে জংশন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে চলছে লাখ টাকার বাণিজ্য
  • 📌 ভৈরব রেলওয়ে জংশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল মামুনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট
  • 📌 প্রতি মাসে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রতি বাড়ি থেকে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা আদায় করা হতো
  • 📌 ভৈরব রেলওয়ে কলোনি ও স্টেশন এলাকায় দেড় শতাধিক বাসাবাড়ি ও দোকানে চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ
  • 📌 সাংবাদিকদের দেখেই উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল মামুন অফিস থেকে পালিয়ে যান

📰 বিস্তারিত

ভৈরব রেলওয়ে জংশন এলাকায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে চলছে লাখ টাকার বাণিজ্য। বাংলাদেশ রেলওয়ের বিপুল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অনিয়ম। ভৈরব রেলওয়ে জংশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) মোহাম্মদ আল মামুনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রেলওয়ের সূত্রে জানা যায়, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ, ভৈরব-নরসিংদী ও ভৈরব-আশুগঞ্জ এলাকার রেলওয়ে কলোনিতে কয়েক শতাধিক আবাসিক কোয়ার্টার রয়েছে। এসব কোয়ার্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহের সার্বিক তদারকির দায়িত্বে রয়েছে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বৈদ্যুতিক) দপ্তর।

কলোনির অধিকাংশ বাসাই মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হলেও রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মচারী এগুলো অবৈধভাবে ভাড়া দিয়ে মিটারবিহীন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করছেন। ভৈরবের ফেরিঘাট কলোনি, চন্ডিবের কলোনি ও সুইপার কলোনি এলাকায় গড়ে উঠেছে বহু অবৈধ বসতি। এসব বাড়িতে কোনো মিটার ছাড়াই ফ্যান-লাইটের পাশাপাশি ফ্রিজ, টেলিভিশন, আয়রন ও বৈদ্যুতিক হিটারের মতো উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভৈরব রেলওয়ে কলোনি ও স্টেশন এলাকা ছাড়াও তার আওতাধীন প্রায় দেড় শতাধিক বাসাবাড়ি ও দোকানে মিটার ছাড়াই চলছে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে ভৈরবে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল মামুন গড়ে তুলেছেন একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের লাইনম্যান মনিরের মাধ্যমে প্রতিটি অবৈধ বাসা ও দোকান থেকে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হতো।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভৈরব রেলওয়ে জংশন, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আল মামুন (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, বৈদ্যুতিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ৯ বছর, প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেড় শতাধিক অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖