📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

তেভাগা আন্দোলনের কিংবদন্তি: ইলা মিত্রের জীবন ও রামচন্দ্রপুরে ফিরতে না পেরে যাওয়া স্বপ্ন

তেভাগা আন্দোলনের কিংবদন্তি: ইলা মিত্রের জীবন ও রামচন্দ্রপুরে ফিরতে না পেরে যাওয়া স্বপ্ন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ইলা মিত্রের জীবন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আফজালুর রহমানের স্মৃতিকথা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি শ্রেণিস্বার্থ ত্যাগ করে সাঁওতাল কৃষকদের দাবি আদায়ে জীবন বাজি রেখেছিলেন। কলকাতায় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি বাংলাদেশে ফিরতে না পেরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন

তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা এবং সাঁওতাল কৃষকদের ন্যায়সংগত দাবি আদায়ে জীবন বাজি রেখেছিলেন ইলা মিত্র। তাঁর জীবন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখক আফজালুর রহমানের স্মৃতিকথা ‘ফেরা হলো না রামচন্দ্রপুরে’ প্রকাশিত হয়েছে। এই স্মৃতিকথাটি প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে ২০০৫ সালের ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত হয়। আজ ইলা মিত্রের জন্মদিনে এই লেখাটি অনলাইনে পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী ইলা মিত্র ছিলেন তেভাগা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেত্রী এবং সাঁওতাল কৃষকদের অধিকার আদায়ে জীবন বাজি রেখেছিলেন।
  • 📌 জমিদার পরিবারের গৃহবধূ হিসেবে তিনি শ্রেণিস্বার্থ ত্যাগ করে কৃষকদের পক্ষে আন্দোলন সংগঠিত করেছিলেন।
  • 📌 প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রযন্ত্রের পুলিশ বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি দুই বছরের বেশি সময় অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু মানুষের প্রতি অঙ্গীকার থেকে সরে দাঁড়াননি।
  • 📌 লেখক আফজালুর রহমান দু’বার ইলা মিত্রের সঙ্গে সাক্ষাত করেন — প্রথমবার ঢাকায় ১৯৯২ সালে এবং দ্বিতীয়বার কলকাতায় ১৯৯৪ সালে।
  • 📌 কলকাতায় সাক্ষাতের সময় ইলা মিত্র বলেছিলেন, ‘মুকুলদা আর কখনোই আমার বাংলাদেশে যাওয়া হবে না’।
  • 📌 তিনি রামচন্দ্রপুরে মেয়েদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা পরবর্তীকালে কলেজে পরিণত হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

তেভাগা আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেত্রী ইলা মিত্রের জীবন ছিল এক জীবন্ত বিস্ময়। তিনি জমিদার পরিবারের গৃহবধূ ছিলেন, কিন্তু শ্রেণিস্বার্থ ত্যাগ করে সাঁওতাল কৃষকদের ন্যায়সংগত দাবি আদায়ের জন্য জীবন বাজি রেখেছিলেন। প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রযন্ত্রের পুলিশ বাহিনীর পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি দুই বছরের বেশি সময় অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু মানুষের প্রতি অঙ্গীকার থেকে তিনি সরে দাঁড়াননি। লেখক আফজালুর রহমান তাঁর সঙ্গে দু’বার সাক্ষাত করেন — প্রথমবার ঢাকায় ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের জাতীয় সম্মেলনে এবং দ্বিতীয়বার কলকাতায় ১৯৯৪ সালে তাঁর নিজ বাসভবনে।

কলকাতায় সাক্ষাতের সময় লেখক আফজালুর রহমানের সঙ্গে ইলা মিত্রের কথোপকথন ছিল অত্যন্ত আবেগময়। মুকুল চাচা বলেছিলেন, ‘ইলাদি, খবর পেয়েছিলাম আপনার জ্বর যাচ্ছে কদিন, শরীরটা এখন কেমন?’ ইলা মিত্রের শরীরে ক্লান্তি আর অবসাদের চিহ্ন ছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি প্রায়ই পার্টির কাজ কামাই করতে হয়, আর কত পারে বলুন।’

সাক্ষাতের সময় ইলা মিত্র ঢাকায় তাঁর মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ওই যে আমাদের গ্রামে মেয়েদের জন্য স্কুলটা করেছিলাম, জানো... ওখানে আমি পড়াব, এ কথাটা শুনে আমার শাশুড়ি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ, গোঁড়া মুসলিম ও হিন্দু সমাজনেতারা আমাদের রামচন্দ্রপুর হাটের বাড়িতে এসে মেয়েদের পড়া ও স্কুল করার বিরোধিতা করেছিল। বাড়ি থেকে পাঁচ মিনিটের পথ ঘোড়ার গাড়ির ভেতরে গা ঢাকা দিয়ে আমাকে স্কুলে যেতে হতো। আমি ও রমেন মিলে মাত্র তিনজন ছাত্রী জোগাড় করতে পেরেছিলাম। শুনেছি, সেই স্কুলটা এখন মেয়েদের কলেজ হয়েছে।’

"মুকুলদা আর কখনোই আমার বাংলাদেশে যাওয়া হবে না"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, কলকাতা, রামচন্দ্রপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলা মিত্র, আফজালুর রহমান, মুকুল চাচা (এম আর আখতার মুকুল), শওকত ওসমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯২৫ (জন্মবছর), ১৯৯২ (ঢাকায় সাক্ষাত), ১৯৯৪ (কলকাতায় সাক্ষাত), ১৪ (অক্টোবর, প্রকাশনার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖