📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চৌম্বক মেরু উল্টে গেলেও পরিযায়ী প্রাণীরা কীভাবে টিকে থাকে?

চৌম্বক মেরু উল্টে গেলেও পরিযায়ী প্রাণীরা কীভাবে টিকে থাকে?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পরিযায়ী প্রাণীরা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মেরু উল্টে গেলেও প্রাণীরা বিকল্প উপায়ে পথ খুঁজে নেয়। সুইডেনের গবেষক এরিক ওয়ারেন্টের নতুন তথ্য উঠে এসেছে এ বিষয়ে।

পরিযায়ী প্রাণীরা বছরের পর বছর ধরে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছায়। পাখি, কচ্ছপ এমনকি ক্ষুদ্র পোকামাকড়ও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কম্পাস হিসেবে ব্যবহার করে। তবে ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস বলছে, পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বারবার নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে। এমন পরিবর্তন ঘটেছে প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার বছর আগেও। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, মেরু উল্টে গেলে পরিযায়ী প্রাণীরা কীভাবে পথ হারিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায় না?

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পরিযায়ী প্রাণীরা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে
  • 📌 পৃথিবীর মেরু পরিবর্তন ঘটেছে প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার বছর আগে
  • 📌 সুইডেনের লুন্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এরিক ওয়ারেন্ট গবেষণা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বোগং মথ নিয়ে
  • 📌 মেরু উল্টে গেলেও প্রাণীরা বিকল্প উপায়ে পথ খুঁজে নেয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা

📰 বিস্তারিত

শীতকালে পাখিরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে উড়ে যায়। সমুদ্রের বুক চিরে এগিয়ে চলে কচ্ছপও। কিন্তু তারা কীভাবে পথ চিনে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব প্রাণীর অভ্যন্তরীণ কম্পাস হিসেবে কাজ করে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র। তবে ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস বলছে, পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বারবার স্থান পরিবর্তন করেছে। সর্বশেষ এই পরিবর্তন ঘটেছিল প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার বছর আগে।

সুইডেনের লুন্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এরিক ওয়ারেন্ট অস্ট্রেলিয়ার বোগং মথ নিয়ে গবেষণা করেছেন। এই ক্ষুদ্র পোকামাকড় প্রায় ৯৬৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পাহাড়ি গুহায় পৌঁছায়। তাদের দলের কোনো বয়স্ক সদস্য থাকে না, যিনি পথ দেখিয়ে দেবেন। তবুও তারা নিখুঁতভাবে গন্তব্যে পৌঁছায়। ওয়ারেন্টের গবেষণায় দেখা গেছে, তারা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে।

মেরু উল্টে গেলে প্রাণীরা কীভাবে টিকে থাকে? এর উত্তরে ওয়ারেন্ট তিনটি কারণ উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ কম্পাসযুক্ত সদস্যরাই নতুন চৌম্বক ক্ষেত্রে মানিয়ে নেয়। দ্বিতীয়ত, তারা সূর্য, তারা বা গন্ধের মতো বিকল্প উপায়েও পথ খুঁজে নেয়। তৃতীয়ত, মেরু পরিবর্তনের ঘটনা অত্যন্ত ধীরগতিতে ঘটে, যা প্রাণীদের অভিযোজনের জন্য যথেষ্ট সময় দেয়।

"পরিযায়ী প্রাণীরা শুধু চৌম্বক ক্ষেত্রের ওপর নির্ভর করে না। তারা বিকল্প উপায়েও পথ খুঁজে নেয়। এমনকি চৌম্বক ক্ষেত্র কাজ না করলেও তারা মিল্কিওয়ে দেখে নিজেদের অবস্থান নির্ধারণ করতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক এরিক ওয়ারেন্ট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাত লাখ ৮০ হাজার বছর, ৯৬৫ কিলোমিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖