📌 হবিগঞ্জের ধুলিয়াখালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ১৩২টি প্লটের জন্য ৬৯৬টি আবেদন জমা পড়লেও লটারি হয়নি। সংসদ সদস্য জি কে গউছের অনুরোধে আবারও আবেদন নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
হবিগঞ্জের ধুলিয়াখালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ‘সাইট অ্যান্ড সার্ভিসেস আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প’-এ ৬৯৬ জন আবেদনকারী ৮ মাস ধরে প্লট বরাদ্দের অপেক্ষায় আছেন। প্রকল্পের ১৩২টি প্লটের জন্য জমা পড়া এই আবেদনগুলোর লটারি এখনো হয়নি। নতুন করে আবেদন নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ, যা আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হবিগঞ্জের ধুলিয়াখালে ১৩২টি প্লটের জন্য ৬৯৬টি আবেদন জমা পড়লেও লটারি হয়নি
- 📌 ৬৯৬ জন আবেদনকারী ২ লাখ থেকে ১.৫ লাখ টাকা জামানত দিয়ে অপেক্ষা করছেন
- 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা, ১৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে
- 📌 সংসদ সদস্য জি কে গউছের অনুরোধে আবারও আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত
- 📌 প্লটের দাম কাঠাপ্রতি ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা, কিস্তিতে বা এককালীন পরিশোধের সুযোগ
📰 বিস্তারিত
২০১৬ সালে হবিগঞ্জ শহরতলির ধুলিয়াখালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সিলেট বিভাগের অধীন ‘সাইট অ্যান্ড সার্ভিসেস আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির ডিপিপি ২০১৭ সালে অনুমোদন পায়। প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে প্রায় ১৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং ভূমি উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রকল্প এলাকায় ১৩২টি প্লটের জন্য ৬৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে, যার অর্থ একটি প্লটের বিপরীতে পাঁচটি আবেদন জমা হয়েছে। আবেদনকারীদের মধ্যে ৪ কাঠা ও তদূর্ধ্ব প্লটের জন্য ২ লাখ টাকা এবং ৪ কাঠার নিচের প্লটের জন্য ১.৫ লাখ টাকা করে জামানত দেওয়া হয়েছে। এই জামানতের মোট পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা।
সংসদ সদস্য জি কে গউছ (হবিগঞ্জ-৩) বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আবেদনগুলো জমা নেওয়া হয়। অনেকেই এ বিষয়ে জানতেন না। নতুন করে আবেদন নেওয়া হলে মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়বে। তবে লটারির মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হবে তা সবার দায়িত্ব।’ তিনি মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেন নতুন করে আবেদন নেওয়ার বিষয়ে।
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সিলেট বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী নেজামুল হক মজুমদার জানান, ‘সংসদ সদস্যের অনুরোধে নতুন আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগের আবেদনগুলোর সঙ্গে নতুন আবেদন লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হবে।’
"অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে আবেদনগুলো জমা নেওয়া হয়। অনেকেই এ বিষয়ে জানতেন না। নতুন করে আবেদন নেওয়া হলে মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়বে। তবে লটারির মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হবে তা সবার দায়িত্ব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হবিগঞ্জ শহরতলি, ধুলিয়াখাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জি কে গউছ (সংসদ সদস্য, হবিগঞ্জ-৩), নেজামুল হক মজুমদার (সিভিল প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৯৬ জন আবেদনকারী, ১৩২টি প্লট, ২৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়, ১৬ একর জমি, ৫ কোটি টাকা জামানত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!