📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বঙ্গভবনের ইতিহাস: মাজার থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হয়ে ওঠার গল্প

বঙ্গভবনের ইতিহাস: মাজার থেকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হয়ে ওঠার গল্প

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বঙ্গভবনের ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। সুলতানি আমলের মাজার থেকে শুরু করে মুঘলদের নওয়ারা মহল হয়ে ব্রিটিশদের গভর্নর হাউজ পর্যন্ত বিবর্তিত হয়েছে এই স্থাপনা। স্বাধীন বাংলাদেশে এটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়

ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বঙ্গভবনের ইতিহাস কয়েক শতাব্দী পুরোনো। বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হিসেবে পরিচিত এই স্থাপনা এক সময় ছিল দুই সুফিসাধকের কবরস্থান। সুলতানি আমল থেকে শুরু করে মুঘল ও ব্রিটিশ শাসনামল পর্যন্ত বিবর্তিত হয়েছে এই স্থান। স্বাধীন বাংলাদেশে এটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুলতান ইউসুফ শাহের শাসনকালে (১৪৭৪-১৪৮১) শাহ জালাল দাখিনী ও তার অনুসারীরা ঢাকায় ধর্ম প্রচার শুরু করেন
  • 📌 শাহ জালাল দাখিনী ও তার শিষ্য শাহ কামালকে হত্যার পর তাদের সমাধি হিসেবে পরিচিতি পায় স্থানটি
  • 📌 মুঘল আমলে মির্জা মুকিমের অধীনে এলাকাটি নওয়ারা মহল হিসেবে পরিচিত ছিল
  • 📌 ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার নবাব খাজা আবদুল গনি স্থানটি কিনে দিলকুশা বাগান প্রতিষ্ঠা করেন
  • 📌 ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর গভর্নমেন্ট হাউজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় বঙ্গভবন

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, সুলতান ইউসুফ শাহের শাসনকালে (১৪৭৪ থেকে ১৪৮১) সুফিসাধক শাহ জালাল দাখিনী তার কয়েকজন শিষ্যসহ গুজরাত থেকে তৎকালীন পূর্ববঙ্গে আসেন। ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি খানকাহ প্রতিষ্ঠা করে ধর্ম প্রচার শুরু করেন। লেখক আবু জাফরের ‘রাজভবন থেকে বঙ্গভবন’ বইতে উল্লেখ আছে, ইউসুফ শাহের বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর মন্তব্য করায় সুলতানের সেনারা তাকে হত্যা করেছিলেন। পরে শাহ জালাল দাখিনীকে বঙ্গভবনের ভেতরেই সমাহিত করা হয়।

গবেষক আবু জাফরের বর্ণনা অনুযায়ী, বঙ্গভবনের মূল গেট দিয়ে ঢুকেই বাম হাতে একটি কবরের গম্বুজ দেখা যায়। ভেতরে দু’টি বাঁধানো কবর রয়েছে। এ দু’জনের নাম শাহ জালাল ও শাহ কামাল। শাহ কামাল ছিলেন শাহ জালাল দাখিনীর মুরিদ, যাকে তার পাশেই কবর দেয়া হয়। ধীরে ধীরে দাখিনীর সমাধি ঘিরে জায়গাটি মাজার হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। সেই এক গম্বুজবিশিষ্ট সমাধিসৌধটি আজো বঙ্গভবন এলাকার ভেতরে রয়েছে।

মুঘল আমলেও এই এলাকার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়। মুঘল শাসনামলে সুবাহদার মীর জুমলার অধীনে নওয়ারা মহলের দায়িত্বে ছিলেন মির্জা মুকিম। তার বাসভবন ছিল পুরানা পল্টন ময়দানের দক্ষিণে, বর্তমান বঙ্গভবন এলাকায়। মুঘলদের নৌবাহিনী পরিচালনার জন্য গঠিত বিশেষ এলাকা ছিল নওয়ারা মহল। মির্জা মুকিমের বাসভবন এলাকার ভেতর ও বাইরের অংশে দু’টি বড় টিলা ছিল। ওই সময়কার একটি বড় টিলা এখনো বঙ্গভবনের সীমানার মধ্যে রয়েছে।

ব্রিটিশ শাসনের শুরুর দিকে জায়গাটির মালিকানা আবার বদলে যায়। বঙ্গভবন চত্বরে এখনো ‘মানুক হাউজ’ নামে একটি ভবন রয়েছে। ধারণা করা হয়, ব্রিটিশ আমলে মানুক নামের একজন আর্মেনীয় জমিদারের মালিকানায় ছিল এটি। পরে ঢাকার নবাব খাজা আবদুল গনি মানুকের কাছ থেকে জায়গাটি কিনে নেন। সেখানে তিনি একটি বাংলো নির্মাণ করেন এবং স্থানটির নাম দেন দিলকুশা বাগ।

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটিশদের একটি সিদ্ধান্ত এই স্থানের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি পাল্টে দেয়। বঙ্গভঙ্গের পর গঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকাকে। সেই সময় নতুন প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পান স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। তার অস্থায়ী বাসভবন নির্মাণের পরিকল্পনা হয় দিলকুশার দক্ষিণাংশে, যা দানা দিঘির ময়দান নামে পরিচিত ছিল। ১৯০৬ সালে গভর্নমেন্ট হাউজ উদ্বোধন হলেও নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয় ১৯১১ সালে।

"সুলতানি আমল থেকে শুরু করে মুঘল ও ব্রিটিশ শাসনামল পর্যন্ত বিবর্তিত হয়েছে বঙ্গভবনের ইতিহাস। স্বাধীন বাংলাদেশে এটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিলকুশা, ঢাকা
  • 👥 প্রধান ব্যক্তি: শাহ জালাল দাখিনী, মির্জা মুকিম, খাজা আবদুল গনি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা: সুলতানি আমল (১৪৭৪-১৪৮১), মুঘল আমল, ব্রিটিশ শাসনামল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖