📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি অগ্রহণযোগ্য: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি অগ্রহণযোগ্য: হাইকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হিন্দু দায়ভাগা আইনের অধীনে ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার একটি জমি সংক্রান্ত মামলায় অধস্তন আদালতের রায় বহাল রাখেন উচ্চ আদালত।

হিন্দু দায়ভাগা আইনের বিধান অনুসারে ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার একটি জমি সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলায় অধস্তন আদালতের দেয়া রায় ও ডিক্রি বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ: হিন্দু দায়ভাগা আইনে ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকার দাবি গ্রহণযোগ্য নয়
  • 📌 অধস্তন আদালতের দেয়া রায় ও ডিক্রি বহাল রাখেন হাইকোর্ট
  • 📌 মামলাটি ছিল ‘অমর কুমার দাসের উত্তরাধিকারী লিলি রানী দাস এবং অন্যান্য বনাম ড. মনোরঞ্জন মহুরী এবং অন্যান্য’ শীর্ষক
  • 📌 বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার অধিবাসী রামকান্ত বিশ্বাসের এক পুত্র ও তিন কন্যাসন্তান ছিল। তিনি ১৯২০ সালে নিজের অর্থ দিয়ে তার ছেলে সতীশ চন্দ্র বিশ্বাসের নামে পটিয়া উপজেলাধীন ১ দশমিক একর নালিশি জমি ক্রয় করেন। পরে সতীশ চন্দ্র বিশ্বাস তার বাবার জীবদ্দশাতেই মারা যান। আর ১৯৩৩ সালে রামকান্ত বিশ্বাস মারা যান। মৃত রামকান্ত বিশ্বাসের কন্যা শৌল বালা দাস উক্ত জমির মালিকানা উত্তরাধিকারসূত্রে দাবি করেন। অন্যদিকে, সতীশ চন্দ্র বিশ্বাসের স্ত্রী সাবিত্রী বালা জীবিত থাকাকালে ১৯৯৬ সালে জমিটি ড. মনোরঞ্জন মহুরীর কাছে বিক্রি করে দেন।

এরপর ১৯৯৮ সালে পটিয়ার চৌকি আদালতে এই জমির উত্তরাধিকার দাবি করে দেওয়ানি মামলা করেন শৌল বালা দাস। বাদীপক্ষের অভিযোগ ছিল, উক্ত বিক্রয় দলিলটি জাল, প্রতারণামূলক এবং কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সম্পাদিত হয়েছে। পটিয়ার সাব-অর্ডিনেট জজ আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিচার-বিশ্লেষণ করে ২০০০ সালের ২২ জুন বাদীপক্ষের মামলাটি খারিজ করে দেন।

এরপর বাদী বিচারিক আদালতের ওই রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতে আপিল করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে চট্টগ্রামের ১ম অতিরিক্ত জেলা জজ ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আপিলটি খারিজ করে রায় দেন। আপিল আদালতের ওই রায় ও ডিক্রিতে অসন্তুষ্ট হয়ে বাদী দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারার অধীনে ২০০৮ সালে হাইকোর্টে দেওয়ানি রিভিশন আবেদন করেন।

শুনানি শেষে একই বছর আদালত রুল জারি করেন। গত ৯ জুলাই বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল খারিজ করে অধস্তন আদালতের দেয়া রায় ও ডিক্রি বহাল রাখেন।

"হিন্দু দায়ভাগা আইনে ভাইয়ের বিধবা স্ত্রীর জীবদ্দশায় ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের উত্তরাধিকারী হিসেবে অধিকার নেই। বিধবার মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী ব্যক্তিই কেবল সম্পত্তি হস্তান্তরকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল, বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলাম, রামকান্ত বিশ্বাস, শৌল বালা দাস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯২০, ১৯৩৩, ১৯৯৬, ১৯৯৮, ২০০০ সালের ২২ জুন, ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮, ৯ জুলাই, ১১৫(১)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖