📌 খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অতি ভারী বৃষ্টিতে ইয়াসমিন আক্তারের খামারের দেড় হাজার মুরগি মারা যায়। ঋণের টাকায় গড়ে তোলা খামারটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তিনি সরকারি সহায়তা চেয়েছেন
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গত শুক্রবার রাতে অতি ভারী বৃষ্টিতে ইয়াসমিন আক্তারের (৫০) সোনালি মুরগির খামারের দেড় হাজার মুরগি মারা গেছে। খামারটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাঁর পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অতি ভারী বৃষ্টিতে ইয়াসমিন আক্তারের খামারের ১ হাজার ৫০০ মুরগি মারা যায়
- 📌 খামারটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাঁর পরিবারের জীবিকা বিপন্ন
- 📌 ইয়াসমিন আক্তার ঋণের টাকায় খামারটি গড়ে তুলেছিলেন
- 📌 উপজেলায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়
- 📌 উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার সুধীর মেম্বার পাড়ার বাসিন্দা ইয়াসমিন আক্তার গত ১৭ বছর ধরে খামার পরিচালনা করছেন। সম্প্রতি তিনি চার লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সোনালি মুরগি পালন শুরু করেছিলেন। তাঁর ছেলে ও মেয়ে দীঘিনালা সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন। পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো খামারের আয় থেকে।
গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত উপজেলায় ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এতে দীঘিনালার মেরুং, কবাখালী, হামতলী ও বোয়ালখালী এলাকার নিচু অঞ্চল প্লাবিত হয়ে যায়। ইয়াসমিনের খামারটি বোয়ালখালী ছড়ার পানিতে ডুবে যায়। তাঁর খামারে থাকা ১ হাজার ৫০০ মুরগির সবই মারা যায়। প্রতিটি মুরগির ওজন ছিল প্রায় ৫০০ গ্রাম। কয়েকদিন পরই তিনি মুরগিগুলো বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছিলেন।
ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘লাভের আশায় ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। মুরগিগুলো বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছিল। কিন্তু আকস্মিক বন্যায় সব শেষ হয়ে গেছে। এত বড় ক্ষতি হবে, স্বপ্নেও ভাবিনি।’ তিনি সরকারের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, ‘এখন এ ঋণের টাকা কীভাবে শোধ করব, তা বুঝতে পারছি না।’
ইয়াসমিনের ভাই ওসমান গণি বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে ও ঋণের টাকায় আমরা খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। পুরো খামারটাই ঋণের টাকায় করা। এই ক্ষতি সামলানো আমাদের জন্য খুব কঠিন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানজিল পারভেজ জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিকে সহায়তা করা হবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় তাঁকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘আর কিছুদিন পরই মুরগিগুলো বিক্রি করার কথা ছিল। পুরো খামারটাই ঋণের টাকায় করা। এই ক্ষতি সামলানো আমাদের জন্য খুব কঠিন।’ — ইয়াসমিন আক্তার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসমিন আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫০০, ১০৩ মিলিমিটার, ৫০০ গ্রাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!