📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫০ কোটি টাকার প্রকল্পে বিনষ্ট হাতিরঝিলের পানি: দুর্গন্ধের সমাধান কোথায়?

৫০ কোটি টাকার প্রকল্পে বিনষ্ট হাতিরঝিলের পানি: দুর্গন্ধের সমাধান কোথায়?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৫০ কোটি টাকার প্রকল্পে বিনষ্ট হাতিরঝিলের পানি দুর্গন্ধময় হয়ে উঠেছে। রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মুজাফফর উদ্দিন বলেছেন, দূষণের মূল উৎস বন্ধ না হলে পানি শোধনের প্রকল্প স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে না। নগরবাসীর অবসর গন্তব্য হাতিরঝিলে দুর্গন্ধের কারণে বেড়াতে আসা মানুষদের অস্বস্তি বাড়ছে

ঢাকার হাতিরঝিল প্রকল্পের পানি শোধনের জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পায়নি। প্রকল্পের মূল দায়িত্বে থাকা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানায়, দূষণের উৎস বন্ধ না হলে পানি শোধনের প্রকল্পের স্থায়ী ফলাফল আসবে না। নগরবাসীর জনপ্রিয় অবসর গন্তব্য হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা মানুষদের দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তি বাড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫০ কোটি টাকার প্রকল্পে বিনষ্ট হাতিরঝিলের পানি দুর্গন্ধময়, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা
  • 📌 রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মুজাফফর উদ্দিন বলেন, দূষণের মূল উৎস বন্ধ না হলে পানি শোধনের প্রকল্প স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে না
  • 📌 ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের বর্জ্য নালা থেকে হাতিরঝিলে মিশে পানিকে দূষিত করছে
  • 📌 ২০১৮ সালে ৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার প্রকল্পে পানি শোধনের যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে গেছে
  • 📌 বেড়াতে আসা মানুষদের দুর্গন্ধের কারণে অস্বস্তি, অনেকেই ঘাটে বসে থাকতে পারছেন না

📰 বিস্তারিত

ঢাকার হাতিরঝিল প্রকল্পের পানি শোধনের জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে মুক্তি পায়নি। প্রকল্পের মূল দায়িত্বে থাকা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানায়, দূষণের মূল উৎস বন্ধ না হলে পানি শোধনের প্রকল্পের স্থায়ী ফলাফল আসবে না। রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী মো. মুজাফফর উদ্দিন বলেন, ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন লাইন দিয়ে আসা বর্জ্য হাতিরঝিলের পানিতে মিশছে। তিনি আরও বলেন, বৃষ্টির সময় বাড়তি পানি নিষ্কাশনের জন্য হাতিরঝিলের বিশেষ ডাইভারশন কাঠামোর গেট খুলে দিতে হয়। এ সময় বিভিন্ন ড্রেন ও লাইন দিয়ে ময়লা পানি লেকে প্রবেশ করে।

হাতিরঝিলের পানিতে দুর্গন্ধের কারণে বেড়াতে আসা মানুষদের অস্বস্তি বাড়ছে। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. অয়ন বলেন, ‘হাতিরঝিলে ঘুরতে ভালো লাগে। কিন্তু পানির কাছে গেলেই দুর্গন্ধ পাওয়া যায়। লেকের পাড়ে কিছুক্ষণ বসে থাকার পর আর সওয়া যাচ্ছিল না। আমরা তাই উঠে এসেছি।’ রামপুরার বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা বিথী ইসলাম বলেন, ‘সঙ্গে মাস্ক না থাকায় পানির গন্ধের কারণে বেশ কষ্ট হলো। বাধ্য হয়ে নাক চেপে ধরে পথটা পার হলাম। ঘুরতে এসেছি একটু ভালো পরিবেশের জন্য, তবে এমন দুর্গন্ধের বিষয়টা মেনে নেওয়ার মতো না।’

হাতিরঝিলের পানিদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে পয়োবর্জ্য ও শিল্পকারখানার বর্জ্য প্রবেশের বিষয়টি সামনে এসেছে। আশপাশের এলাকার নালা ও বর্জ্য নিষ্কাশনব্যবস্থার মাধ্যমে এসব দূষিত পদার্থ লেকে এসে মেশে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় বেড়াতে আসা এবং আশপাশের বাসিন্দাদের আবর্জনা ফেলার প্রবণতা রয়েছে।

"বৃষ্টির সময় বাড়তি পানি নিষ্কাশনের জন্য হাতিরঝিলের বিশেষ ডাইভারশন কাঠামোর গেট খুলে দিতে হয়। তা না হলে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। এই উৎস বন্ধ না করা পর্যন্ত লেক পরিষ্কার রাখার চেষ্টা হয়তো সাময়িক উপশম হবে।"

প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। প্রধান প্রকৌশলী মো. মুজাফফর উদ্দিন জানান, পানি পরিশোধন প্রকল্পের কাজ করেছিল স্ট্রাক্টর নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত লেকে তাদের স্থাপন করা যন্ত্রপাতি চালু ছিল। পরে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়া এবং যন্ত্রপাতিতে লিকেজ দেখা দেওয়ায় পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এখন রাজউক আবার নিজস্ব অর্থায়নে পানি পরিশোধনের যন্ত্রপাতি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কাজে আগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে যন্ত্রপাতি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাতিরঝিল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুজাফফর উদ্দিন (রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী), মো. অয়ন (শিক্ষার্থী), বিথী ইসলাম (বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ কোটি টাকা, ৪৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖