📅 ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাতীবান্ধায় এমপির পরিদর্শন কক্ষে অনিয়ম ও আগুন লাগার ঘটনা: প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানেই নির্মাণকাজ

হাতীবান্ধায় এমপির পরিদর্শন কক্ষে অনিয়ম ও আগুন লাগার ঘটনা: প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানেই নির্মাণকাজ

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাতীবান্ধা উপজেলায় এমপির জন্য নির্মাণাধীন পরিদর্শন কক্ষে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার ও ত্রুটিপূর্ণ সংযোগের কারণে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের তত্ত্বাবধানেই কাজ চলছে বলে অভিযোগ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদে এমপির জন্য নির্মাণাধীন পরিদর্শন কক্ষে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য এ কক্ষে বৈদ্যুতিক সংযোগ ও উপকরণের মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, উন্নতমানের বৈদ্যুতিক ক্যাবলের পরিবর্তে নিম্নমানের তার ব্যবহার করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এমপির পরিদর্শন কক্ষে তিনটি এসি স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত সক্ষমতার বৈদ্যুতিক সংযোগ না থাকায় ৪ আরএম তার ব্যবহার করা হয়েছে
  • 📌 গত মঙ্গলবার শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে, যা পরে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়
  • 📌 কাজের কাগজপত্রে ঠিকাদার হিসেবে বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলামের নাম থাকলেও প্রকৃত তত্ত্বাবধায়ক হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন
  • 📌 অভিযোগ অনুযায়ী, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক তার ছিল ‘মিজান ক্যাবল’ ব্র্যান্ডের নিম্নমানের পণ্য

📰 বিস্তারিত

হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদে এমপির জন্য নির্মাণাধীন পরিদর্শন কক্ষে বৈদ্যুতিক অনিয়ম ও আগুন লাগার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সূত্রমতে, নির্মাণকাজের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নতমানের বৈদ্যুতিক উপকরণ ব্যবহারের কথা থাকলেও বাস্তবে তার বিপরীত ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এমপির পরিদর্শন কক্ষে তিনটি এসি ইউনিট স্থাপন করা হলেও এগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় পৃথক বৈদ্যুতিক সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়নি। পরিবর্তে ৪ আরএম মানের তার ব্যবহার করা হয়েছে, যা তিনটি এসি চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

গত মঙ্গলবার কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে তড়িঘড়ি করে একজন ইলেকট্রিক টেকনিশিয়ানকে এনে বৈদ্যুতিক সংযোগ সংস্কারের চেষ্টা করা হয়। এতে প্রকল্পের নির্মাণ মান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপজন মিত্র বলেন, ‘রফিকুল সাহেব ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছেন—এটা আমি জানি। কিছু ক্ষেত্রে ঠিকাদারকে আমাদের সহায়তাও করতে হয়। অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি সত্য। অন্যান্য বিষয়ে প্রকৌশলীর কাছ থেকে শুনে বিস্তারিত বলতে পারব।’ অন্যদিকে উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মুঠোফোনে জানান, ‘রংপুর থেকে টেকনিশিয়ান আসছে। আপনারা সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন। কোনো ঘাটতি থাকলে তা নতুন করে সংশোধন করা হবে।’

‘রফিকুল সাহেব ঠিকাদার—এটা আমি জানি। কিছু কিছু বিষয় ঠিকাদারকেও আমাদের সাপোর্ট করা লাগে।’ — দীপজন মিত্র, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ, লালমনিরহাট
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা দীপজন মিত্র
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ টাকা (প্রকল্প ব্যয়), ৪ আরএম (বৈদ্যুতিক তারের মান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖